খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

আবার চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ, নিঃসঙ্গ সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকের সঙ্গী আনছে জাতীয় চিড়িয়াখানা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আবার চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ, নিঃসঙ্গ সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকের সঙ্গী আনছে জাতীয় চিড়িয়াখানা

আবার চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ, নিঃসঙ্গ সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকের সঙ্গী আনছে জাতীয় চিড়িয়াখানা

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বাড়াতে এবং দীর্ঘদিনের নিঃসঙ্গ প্রাণীদের সঙ্গী দিতে নতুন প্রাণী আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকসহ বেশ কিছু প্রাণী দীর্ঘদিন ধরে কোনো সঙ্গী ছাড়া একা জীবন কাটাচ্ছে। তাদের মানসিক অবসাদ দূর করতে এবং প্রজননের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে গত অর্থবছরে চিতাবাঘ আনার চেষ্টা ব্যর্থ হলেও এবার বতর্মান অর্থবছরে প্রক্রিয়া আরও আগে শুরু করা হয়েছে।

চিড়িয়াখানা সূত্র জানায়, নতুন এই কার্যক্রমে দুটি চিতাবাঘ, তিনটি সিংহ, দুটি হায়েনা এবং তিনটি উল্লুক কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব প্রাণী সংগ্রহের জন্য ইতিমধ্যে প্রায় এক কোটি ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসের মাঝামা সময়ে ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার মাধ্যমে দরপত্র আহ্বান করা হয় এবং মাস শেষের দিকে তা উন্মুক্ত করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের জমা দেওয়া আবেদনপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক মো. শাহিনুর আলম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন এসব প্রাণী নিরাপদে চিড়িয়াখানায় এসে পৌঁছাবে বলে তাঁরা আশা করছেন। অতীতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রাণী সরবরাহ করতে না পারায় চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ মাঝপথে আটকে গিয়েছিল। তবে এবার আগেভাগেই সব আনুষ্ঠানিকতা শুরু করায় কোনো জটিলতা তৈরি হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

বর্তমানে চিড়িয়াখানায় থাকা একাধিক আফ্রিকান সিংহ, চিত্রা ও ডোরাকাটা হায়েনা এবং উল্লুক দীর্ঘদিন ধরে সঙ্গীহীন রয়েছে। নতুন প্রাণীগুলো যুক্ত হলে তাদের একাকিত্ব দূর হওয়ার পাশাপাশি বংশবিস্তারের সুযোগও তৈরি হবে। এছাড়া গত অর্থবছরে বিদেশ থেকে আনা কমন ইল্যান্ড ও ওয়াইল্ড বিস্টগুলো বর্তমানে সুস্থ ও স্বাভাবিক আছে বলে নিশ্চিত করেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

advertisement
advertisement

ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা চলাচলের জন্য একটি নতুন ও সময়োপযোগী বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে এই বাহনগুলো কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি ছাড়াই যত্রতত্র চলাচল করায় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন এই বিধিমালার মাধ্যমে ই-রিকশা খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রণীত নতুন নিয়মে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ই-রিকশাগুলো ঠিক কোন কোন সড়কে চলাচল করতে পারবে এবং কোথায় সেগুলোর প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ থাকবে। এছাড়া এসব যানের সর্বোচ্চ গতিসীমা কত হবে, তা নিয়েও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে যত্রতত্র ধীরগতির এই বাহন মূল সড়কে উঠে তীব্র যানজট তৈরি করতে পারবে না এবং দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে বলে নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন।

শুধু রুট আর গতি নয়, ই-রিকশার ক্ষেত্রে যাত্রী বহনের সুনির্দিষ্ট সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত গাড়ি সড়কে নামানো রোধে কঠোর ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ই-রিকশার বাধ্যতামূলক নিবন্ধন এবং নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষার বিষয়টিও এই নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। এতে গাড়ির যান্ত্রিক মান যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আহরণের পরিধিও কিছুটা বাড়.

পরিবেশ ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে এই পদক্ষেপ বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই বিধিমালা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শৃঙ্খলাপূর্ণ, নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে।

আবুল খায়ের স্টিলের কারখানায় জার্মানির ভাইস মিনিস্টার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আবুল খায়ের স্টিলের কারখানায় জার্মানির ভাইস মিনিস্টার

আবুল খায়ের স্টিলের কারখানায় জার্মানির ভাইস মিনিস্টার

অর্থনীতি ডেস্ক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের স্টিল মেল্টিং লিমিটেডের কারখানা সম্প্রতি পরিদর্শন করেছে জার্মানির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার এবং স্টেট সেক্রেটারি বারবেল কোফলারের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলটি কারখানা চত্বরে এসে পৌঁছায়। শিল্প কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কর্মপরিবেশ সরাসরি দেখার উদ্দেশ্যে তাদের এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কারখানায় পৌঁছানোর পর বিদেশি অতিথিদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান আবুল খায়ের স্টিল মেল্টিং লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মোমিন। এ সময় স্বাগতিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অতিথিদের কাছে কারখানার সার্বিক কার্যক্রম, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিক এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা কারখানার বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিট ঘুরে দেখেন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার মান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন।

এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে বারবেল কোফলারের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ। তাছাড়া জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড বাংলাদেশ, জার্মান উন্নয়ন ব্যাংক কেএফডব্লিউ এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও প্রতিনিধিদলে অংশ নেন। বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের এই উপস্থিতির ফলে দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সফরের শেষ পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে শিল্প খাতের টেকসই উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক পরিদর্শন বাংলাদেশের ভারী শিল্প খাতের অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছানোর প্রচেষ্টাকে বহির্বিশ্বে আরও ইতিবাচকভাবে তুলে ধরবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, বিমানের তদন্ত কমিটি গঠন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, বিমানের তদন্ত কমিটি গঠন

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, বিমানের তদন্ত কমিটি গঠন

জাতীয় ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে সম্প্রতি উদ্ভূত যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনা তদন্তে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। জাপানের টোকিও থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রার প্রাক্কালে উড়োজাহাজটিতে এই ত্রুটি দেখা দিয়েছিল, যার ফলে ফ্লাইটটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশ কিছুটা দেরিতে ছেড়ে আসে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এ ধরনের যেকোনো কারিগরি ত্রুটির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ তদন্ত পরিচালনা করা বাধ্যতামূলক। সেই নিয়ম মেনেই চার সদস্যের এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে যত দ্রুত সম্ভব পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষ করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গঠিত এই তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দেবেন বিমানের চিফ অব প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং। এ ছাড়া কমিটির অন্যান্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার অব ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাকশন এবং ডেপুটি চিফ অব ফ্লাইট সেফটি, আর সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন একজন আইনবিষয়ক ব্যবস্থাপক। এই দলটি উড়োজাহাজের কারিগরি ত্রুটির সঠিক প্রকৃতি নির্ণয়, বিমানটির উড্ডয়ন উপযোগিতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া পর্যালোচনা এবং এর ফলে সৃষ্ট যাত্রীদের ভোগান্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তির ক্ষতি গভীরভাবে খতিয়ে দেখবে।

এর আগে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিজি-৩৭৭ নম্বর ফ্লাইটটির উড্ডয়নের কথা থাকলেও স্পয়লারে ত্রুটির সংকেত পাওয়ায় পাইলট তা স্থগিত করেন। পরবর্তীতে বিমানটিকে দ্রুত পার্কিং এলাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয় এবং দেশীয় প্রকৌশলীদের পাশাপাশি জাপানি কারিগরি বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে মেরামতের কাজ সম্পন্ন করেন। প্রয়োজনীয় সব কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ফ্লাইটটি নিরাপদে ঢাকার পথে রওনা হয়।