খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

গ্রামবাসীর চাঁদায় কেনা হলো খেলার মাঠের জমি, গ্রামজুড়ে উৎসব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্রামবাসীর চাঁদায় কেনা হলো খেলার মাঠের জমি, গ্রামজুড়ে উৎসব

গ্রামবাসীর চাঁদায় কেনা হলো খেলার মাঠের জমি, গ্রামজুড়ে উৎসব

জাতীয় ডেস্ক: টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর নিজস্ব উদ্যোগে একটি খেলার মাঠের জমি কেনা হয়েছে। সাত শতাধিক পরিবারে সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষের বসবাস হলেও এই জনপদে শিশুদের খেলাধুলার কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা ছিল না। প্রতিবছর ধান কাটার পর ফাঁকা জমিতে সাময়িকভাবে খেলাধুলা চললেও ফসলের আবাস শুরু হলে তা বন্ধ হয়ে যেত। এই দুর্ভোগ লাঘব করতে গ্রামের ধনী ও গরিব নির্বিশেষে সবাই মিলে অর্থ সংগ্রহ করে একটি স্থায়ী মাঠ গড়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেন।

এই মহৎ উদ্যোগের পেছনে স্থানীয় ক্রীড়াব্যক্তিত্ব খোরশেদ আলম ও উদ্যোক্তা এস এম ইকবাল মাহমুদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা গ্রামের বিত্তবান ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে তহবিল গঠনের কাজ শুরু করেন এবং পরবর্তীতে গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে একটি মতবিনিময় সভা করেন। সেই সভায় গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পরবর্তীতে ইকবাল হোসেন সুজনের কাছ থেকে প্রতি শতাংশ বায়ান্ন হাজার টাকা মূল্যে মোট ষাট শতাংশ জমি কিনে নেওয়া হয়, যার মধ্যে এক শতাংশ জমি মালিক পক্ষ দান করেন।

নির্ধারিত জমি আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে পাওয়ার দিনটিতে পুরো বাবুপুর গ্রামে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। গ্রামের মানুষ বাদ্য বাজিয়ে ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে নতুন এই মাঠটি গ্রহণ করেন এবং দিনভর নানা আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন। যুবকেরা অর্থদাতা ও প্রবীণ ব্যক্তিদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন। কিশোর ও তরুণদের দীর্ঘদিনের এই স্বপ্ন পূরণের ফলে এখন থেকে তারা সারা বছরই নিয়মিত খেলাধুলা চালিয়ে যেতে পারবে বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছে।

স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা গ্রামবাসীর এই স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং একে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁদের মতে, এই খেলার মাঠ প্রতিষ্ঠার ফলে কিশোর ও যুবসমাজ সুস্থ ক্রীড়াচর্চার সুযোগ পাবে এবং মাদক কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকবে। সরকারি বা বেসরকারি কোনো সহযোগিতা ছাড়াই সাধারণ মানুষের এমন যৌথ প্রয়াস দেশের অন্যান্য এলাকার মানুষের মধ্যেও ক্রীড়ার প্রসারে নতুন প্রেরণা জোগাবে বলে সচেতন মহল মনে করছে।

advertisement
advertisement

ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না

ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকা শহরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং যানজট নিরসনে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি প্রকাশিত এই নীতিমালা অনুযায়ী, কোনোভাবেই লাইসেন্স ছাড়া ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করতে পারবে না। দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে এই যানগুলোর অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের ফলে সৃষ্ট নানা বিশৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনা এড়াতে এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নতুন এই নীতিমালায় ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ও প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কেবল যেসব রিকশা কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করবে এবং বৈধ লাইসেন্স সংগ্রহ করবে, কেবল তারাই রাজপথে নামার অনুমতি পাবে। এর ফলে শহরের সড়কে অবৈধ ও ত্রুটিপূর্ণ যানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে রিকশার গতি নিয়ন্ত্রণ, ব্রেকিং সিস্টেম এবং ব্যাটারির মান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। অনুমোদনহীন কোনো যান যাতে সড়কে নেমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথভাবে নজরদারি বাড়াবে। নীতিমালা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে, সঠিক নিয়মনীতি ও লাইসেন্সের আওতায় এনে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে চলাচল করতে দিলে একদিকে যেমন বিশৃঙ্খলা কমবে, অন্যদিকে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত অনেক বেশি নিরাপদ হবে। তবে এই নীতিমালা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর নিয়মিত তদারকি এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মন্তব্য করেছেন।

পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

ডেস্ক রিপোর্ট: ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নানা ধরনের লোভনীয় ছাড় ও বিশেষ সুবিধা নিয়ে রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনের পর্যটন মেলা। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই জমকালো প্রদর্শনীতে বিমান টিকিট থেকে শুরু করে হোটেল বুকিং এবং ভিসা প্রক্রিয়াকরণে মিলছে আকর্ষণীয় মূল্যছাড়। দেশের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে এবং ভ্রমণপ্রেমীদের উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মেলা প্রাঙ্গণে এসে তাদের পছন্দের ভ্রমণ প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারছেন।

চলatমান এই আয়োজনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের সেবায় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে যার মধ্যে রয়েছে বিমানের টিকিটে পনেরো শতাংশ এবং ক্রুজ ভ্রমণে পঁচিশ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড়। এছাড়া হোটেল খাতে এক রাত বুকিং দিলে অতিরিক্ত আরও দুই রাত বিনামূল্যে থাকার চমৎকার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ভ্রমণকারীদের আর্থিক স্বস্তি দিতে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ খরচেও পঞ্চাশ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের পর্যটন সংস্থা ও ভ্রমণসেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সেরা অফারগুলো নিয়ে এই প্রদর্শনীতে স্টল সাজিয়েছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত এই মেলায় দেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি পর্যটন সংস্থা, বিমান পরিবহন প্রতিষ্ঠান এবং হোটেল গ্রুপ অংশ নিয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন দেশের দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার পাশাপাশি সাশ্রয়ী খরচে ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে ঘুরতে যাওয়ার জন্য যারা নানা প্যাকেজ খুঁজছেন, তাদের জন্য এই আয়োজনটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। মেলাটি নির্দিষ্ট তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল এগারোটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য মেলা প্রাঙ্গণ খোলা থাকছে। ছুটির দিনে ভ্রমণের নানা পরিকল্পনা ও বাজেট নিয়ে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্টলে ভিড় করছেন এবং প্রতিনিধিদর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই তিন দিনের মেলা দেশীয় পর্যটন খাতের প্রসারে এবং ভ্রমণপিপাসুদের নতুন গন্তব্য খুঁজে পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

টাইপ বি ব্যক্তিত্ব: কম চাপ, স্বস্তির জীবন নাকি অলসতার তকমা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টাইপ বি ব্যক্তিত্ব: কম চাপ, স্বস্তির জীবন নাকি অলসতার তকমা

টাইপ বি ব্যক্তিত্ব: কম চাপ, স্বস্তির জীবন নাকি অলসতার তকমা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে অতিরিক্ত মানসিক চাপ এড়িয়ে যারা সবসময় স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সহজ জীবনযাপন করতে পছন্দ করেন, মনোবিজ্ঞানের ভাষায় তাদের টাইপ বি ব্যক্তিত্বের অধিকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উচ্চাভিলাষী ও নিখুঁত কাজের তাগিদ অনুভবকারী টাইপ এ ব্যক্তিত্বের মানুষের ঠিক বিপরীত অবস্থানে রয়েছে এই শান্ত স্বভাবের মানুষগুলো। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে হৃদরোগের সঙ্গে মানুষের ব্যক্তিত্বের কোনো সংযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন দুই মার্কিন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মেয়র ফ্রিডম্যান এবং রে রোজেনম্যান। তাদের হাত ধরেই মূলত এই দুই ধরনের ব্যক্তিত্বের ধারণাটি প্রথমবারের মতো সামনে আসে এবং পরবর্তী সময়ে তা মনোবিজ্ঞানে ব্যাপক স্বীকৃতি লাভ করে।

এই প্রকৃতির মানুষেরা সাধারণত যেকোনো ধরনের চরম প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ এবং ইঁদুর দৌড় এড়িয়ে চলতে ভালোবাসেন। তাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে যেকোনো পরিবর্তনের সঙ্গে সহজে মানিয়ে নেওয়ার চমৎকার ক্ষমতা এবং তীব্র মানসিক চাপহীন জীবন কাটানোর প্রবণতা। তাড়াহুড়ো করে কোনো কাজ করার মানসিকতা তাদের মধ্যে সচরাচর দেখা যায় না এবং অত্যন্ত সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতেও তারা মাথা ঠান্ডা রেখে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন। এছাড়া গতানুগতিক কাজের চেয়ে সৃজনশীল চিন্তাভাবনা ও নতুন উপায়ে কাজ করার ঝোঁক তাদের মধ্যে বেশি থাকে। তবে এই চরিত্রের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো কাজ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জমিয়ে রাখা বা প্রোকাস্টিনেশনের অভ্যাস।

টাইপ বি ব্যক্তিত্বের মানুষের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে। কম মানসিক চাপের কারণে তাদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ওজন এবং হৃদরোগের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকটাই কম দেখা যায়। তবে মুদ্রার উল্টো পিঠে তাদের অতিরিক্ত ঢিলেঢালা স্বভাবের কারণে স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবও লক্ষ্য করা যায়, যার ফলে অনেক সময় তারা নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে উদাসীন থাকেন। স্বভাবগতভাবে এরা ভীষণ অমায়িক, ধৈর্যশীল ও ভালো শ্রোতা হয়ে থাকেন এবং ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অযথা ঝামেলা এড়াতে পছন্দ করেন। অতিরিক্ত নমনীয়তার কারণে অনেক সময় তারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পিছপা হন এবং সহজেই অন্যের সুযোগ নেওয়ার শিকার হন।

শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের মানুষেরা বেশ ভালো ফলাফল করলেও তাদের শান্ত স্বভাবের জন্য অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝির শিকার হতে হয়। অনেক সময় সহকর্মী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের কাজের ধীরগতি দেখে অলস বা অকর্মণ্য হিসেবে ভুল মূল্যায়ন করেন। আধুনিক প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে এই মানুষেরা আমাদের মনে করিয়ে দেন যে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সর্বোচ্চ গতিতে ছোটার কোনো প্রয়োজন নেই, বরং একটু থেমে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেওয়াও সমানভাবে জরুরি। তবে সফলভাবে জীবন পরিচালনা করতে হলে তাদের কিছু সুনির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়।

কর্মক্ষেত্রে বা ব্যক্তিগত জীবনে সফল হতে হলে এই ব্যক্তিত্বের মানুষদের সময় ব্যবস্থাপনার প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। কাজ শেষ মুহূর্তের জন্য জমিয়ে না রেখে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা ছোট ছোট শিডিউল তৈরি করে তা বাস্তবায়ন করা উচিত। এছাড়া জীবনের লাগাম একদম আলগা না ছেড়ে সুনির্দিষ্ট দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য স্থির করা এবং কর্মক্ষেত্রে নিজেদের কঠোর পরিশ্রম ও অবদান অন্যদের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা জরুরি, যাতে কেউ তাদের ভুল বুঝতে না পারে।