খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব

স্বাস্থ্য ডেস্ক: মানুষের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সমাজে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের বিতর্ক দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে। কেউ কেউ মনে করেন মানুষ প্রকৃতিগতভাবে মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, আবার অনেকের মতে নিরামিষ খাবারই মানব শরীরের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। পুষ্টিবিদ ও গবেষকরা এই বিষয়টির গভীরে গিয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করেছেন। আমাদের দাঁতের গঠন, পরিপাকতন্ত্র এবং শরীরের অন্যান্য জৈবিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নের উত্তর খোঁড়ার চেষ্টা করছেন।

বিজ্ঞানীদের মতে, শারীরবৃত্তীয় গঠনের দিক থেকে মানুষ সর্বভুক বা অম্নিভোরস প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ আমাদের শরীর উদ্ভিদ এবং প্রাণী—উভয় উৎস থেকেই পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করতে সক্ষম। মানুষের চোয়াল এবং দাঁতের গঠনে তীক্ষ্ণ মাংস কাটার দাঁতের পাশাপাশি শস্য বা শাকসবজি চিবানোর মতো চ্যাপ্টা দাঁতও রয়েছে। এছাড়া আমাদের পরিপাকতন্ত্র এমনভাবে বিবর্তিত হয়েছে যা আমিষ এবং নিরামিষ উভয় ধরনের খাবারই সহজে হজম করতে পারে।

স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখা সবচেয়ে বেশি জরুরি। মাংস বা উদ্ভিজ্জ খাবার যাই খাওয়া হোক না কেন, শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবার সরবরাহ হচ্ছে কি না সেটাই মূল বিষয়। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত লাল মাংস খাওয়ার ফলে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। অন্যদিকে সুষম ও পরিকল্পিত নিরামিষ ডায়েট অনুসরণ করেও শরীরের সমস্ত পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব।

সব মিলিয়ে কোনো একটি বিশেষ খাদ্যপদ্ধতিকেই একমাত্র সঠিক বলে দাবি করা বৈজ্ঞানিকভাবে ঠিক নয়। ব্যক্তির শারীরিক চাহিদা, বয়স, স্বাস্থ্যগত অবস্থা এবং জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করে খাদ্যাভ্যাস নির্ধারণ করা উচিত। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমেই কেবল দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও সবল থাকা সম্ভব।

advertisement
advertisement

জনগণের অধিকার হরণ করলে এক দফার ডাক দেওয়া হবে: মামুনুল হক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনগণের অধিকার হরণ করলে এক দফার ডাক দেওয়া হবে: মামুনুল হক

জনগণের অধিকার হরণ করলে এক দফার ডাক দেওয়া হবে: মামুনুল হক

রাজনীতি ডেস্ক: জনসাধারণের মৌলিক অধিকার হরণ করার চেষ্টা করা হলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে চূড়ান্ত এক দফার ডাক দেওয়া হবে বলে সরকারের প্রতি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। সম্প্রতি শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঙ্কার দেন। দেশের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করতে এবং তাদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তারা এই রাজনৈতিক লড়াইয়ে নেমেছেন বলে জানান তিনি।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নীতির সমালোচনা করে এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা বলেন, নানা ধরনের কার্ড বিতরণের কূটকৌশল ও লোকদেখানো প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার প্রবণতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। যদি সাধারণ মানুষের ভাগ্য নিয়ে এই ধরনের ছক সাজানো অব্যাহত থাকে, তবে এ দেশের খেটে খাওয়া জনতা সম্মিলিতভাবে সরকারকে চূড়ান্ত লাল কার্ড প্রদর্শন করবে। জনগণের অধিকার রক্ষায় যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে তারা প্রস্তুত রয়েছেন বলে সমাবেশে উপস্থিত জনতার সামনে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সরকার যদি জনগণের ভোটাধিকার এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার পথ থেকে সরে না আসে, তবে যেকোনো মুহূর্তে চূড়ান্ত আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান। সেই সম্ভাব্য এক দফার আন্দোলনের ডাক আসা মাত্রই রাজধানী ঢাকার রাজপথে সর্বস্তরের জনসাধারণকে দলমত নির্বিশেষে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান এই শীর্ষনেতা। অধিকার আদায়ের এই সংগ্রামকে চূড়ান্ত পরিণতিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজপথ দখলের বিকল্প নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

উক্ত পথসভায় দেশের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং তারাও সরকারের বর্তমান কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে সমালোচনা করেন। এই সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমদ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিবসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে সভায় বক্তারা বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য তুলে ধরেন।

এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উন্নীত হওয়ার পথে রয়েছে। এই উত্তরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দেশের অর্থনীতিতে নানা ধরনের নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। এই পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য এখন থেকেই পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশের নীতিনির্ধারক ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা টিকিয়ে রাখতে হলে অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা আবশ্যক। এলডিসি উত্তরণের ফলে অনেক ধরনের শুল্ক সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে। ফলে রপ্তানি বাজার টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত সহায়তা আরও যুগোপযোগী করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ খোলা থাকবে না।

এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করার কাজটি এখন সময়ের দাবি। কেবল বিদেশি বা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর চাপের মুখে নয়, বরং নিজেদের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই এই সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবসায়িক খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি না পেলে বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

সার্বিকভাবে, উত্তরণের জন্য অতিরিক্ত যে সময় পাওয়া গেছে, তাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাঠামোগত সংস্কারগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে পারলে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক ঝুঁকিগুলো সফলভাবে এড়ানো সম্ভব হবে। এতে দেশের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি টেকসই হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এবছর সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে বাহান্ন দশমিক বারো শতাংশ। এ বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোট চল্লিশ হাজার চুরাশি জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ গ্রেড পয়েন্ট জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয় এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এর মাধ্যমে দেশের এগারোটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় তেরো লাখ শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব এবং বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং খুদে বার্তার মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারছেন।

চলতি বছর বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা শেষ করতে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। গত জুলাই মাসে সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একযোগে পরীক্ষা শুরু হয়। পরবর্তীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের কিছু বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করতে হয় এবং পরবর্তীতে সেই স্থগিত পরীক্ষাগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই সকল ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর শিক্ষা বোর্ডগুলো ফলাফল প্রস্তুতের কাজ শেষ করে।

এদিকে প্রকাশিত ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হলে তিনি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট তারিখ থেকে শুরু হয়ে আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত অনলাইনে এই পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হবে। কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। নির্ধারিত পোর্টালে প্রবেশ করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে এবং প্রতি পত্রের জন্য নির্দিষ্ট ফি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। একবার আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর ফি ফেরত দেওয়া হবে না এবং অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বিষয় নির্বাচন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।