খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে যুবসমাজ যেন প্রতারণার শিকার না হয়: প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে যুবসমাজ যেন প্রতারণার শিকার না হয়: প্রতিমন্ত্রী

বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে যুবসমাজ যেন প্রতারণার শিকার না হয়: প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: দেশের তরুণ সমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিদেশে কাজের সুযোগ তৈরি করা বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ। তবে প্রবাসে কর্মসংস্থানের নামে দেশের যুবসমাজ যেন কোনোভাবেই প্রতারণার শিকার না হয় কিংবা আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বদাই সতর্ক থাকতে হবে। সম্প্রতি নাটোরের লালপুর উপজেলায় আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই গুরুত্বপূর্ণ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। দেশের তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রেখে তাদের জন্য নিরাপদ কর্মসংস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

নাটোরের লালপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে স্টাডি অ্যাব্রড কনসালটেন্সি জিটি গ্রুপ এই দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সম্ভাবনা বিষয়ক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশগুলোতে বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে তা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং বেকারত্ব দূর করতে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এই সুযোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং ভাষাগত দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত আবশ্যক।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন যে, বিদেশে পাড়ি জমানোর পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, কর্মসংস্থানের চুক্তিপত্র, নির্ধারিত বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তরুণদের সম্পূর্ণ স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল প্রবাসে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব। যুবসমাজ হলো দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ এবং তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রেখেই মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করতে হবে। কর্মসংস্থানের এই মহৎ উদ্যোগ যেন কোনোভাবেই তরুণ প্রজন্মের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি বা অপ্রয়োজনীয় দুর্ভোগের কারণ হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে জিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান পার্ক জি ইয়ং এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মামুন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজি মেশকাতুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি আবির হোসেন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও এই আলোচনায় অংশ নেন। সভায় দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের বিভিন্ন সম্ভাবনা, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কৌশল এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, এই ধরনের উদ্যোগের ফলে কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং দক্ষ কর্মী তৈরির পথ সুগম হবে।

advertisement
advertisement

সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি

সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম কিছুটা কমায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। বিশেষ করে শাকসবজির দাম তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে থাকায় এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সার্বিক মূল্যস্ফীতিতে। বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত 'বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির ধরন: জুলাই–সেপ্টেম্বর ২০২৬' শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়কালে দেশের গড় খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৭ দশমিক ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে। এর আগের প্রান্তিকে খাদ্য মূল্যস্ফীতির এই হার ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি, যা প্রায় ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল।

খাদ্য মূল্যস্ফীতির এই নিম্নমুখী প্রবণতা অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তিদায়ক চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা চড়া বাজারদরের কারণে সাধারণ ভোক্তা শ্রেণি যে চাপের মুখে ছিল, এই হ্রাসের ফলে সেই চাপ কিছুটা হলেও লাঘব হয়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকা এবং কৃষিপণ্যের উৎপাদন ভালো হওয়ায় বাজারে এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার থাকলে এবং সরবরাহ বিঘ্নিত না হলে আগামী দিনগুলোতেও মূল্যস্ফীতির এই সহনীয় গতিধারা বজায় রাখা সম্ভব হবে। সরকারের বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যথাযথ তদারকির ফলেই মূলত খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন, বার কাউন্সিলের ‘না’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন, বার কাউন্সিলের ‘না’

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন, বার কাউন্সিলের ‘না’

আইন-আদালত ডেস্ক: জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশের প্রচলিত আইনি বিধান অনুযায়ী কোনো বিদেশি আইনজীবী দিয়ে আদালতে মামলা পরিচালনা করতে হলে এই নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার সুনির্দিষ্ট অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের করা আবেদনটি পর্যালোচনার পর তা সরাসরি নাকচ করে দেয় বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কাউন্সিলের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন এবং বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অতীতেও অনুরূপ ঘটনায় একই ধরনের অবস্থান গ্রহণ করেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের বিচারকার্য চলার সময়ও বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের জন্য অনুরূপ আবেদন করা হয়েছিল, যা সে সময়ও নাকচ করা হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে বিচারাধীন বিভিন্ন মামলার একাধিক হাইপ্রোফাইল আসামি এই বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন। এই তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক প্রভাবশালী সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান এবং পরিচিত গণমাধ্যমকর্মী ফারজানা রূপাসহ বেশ কয়েকজন আসামি। ট্রাইব্যুনালে তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর সব মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আইনজীবীদের শীর্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই সিদ্ধান্তের ফলে অভিযুক্তরা নিজেদের পক্ষে বিদেশি আইনি পরামর্শক বা আইনজীবী নিয়োগের আইনি সুযোগ হারাচ্ছেন। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিদেশি আইনজীবীদের আদালতে সওয়াল করার অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার একমাত্র বার কাউন্সিলের হাতেই ন্যস্ত রয়েছে। সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কাউন্সিল তাদের পূর্বের ধারাবাহিকতাই বজায় রাখল, যা দেশের বিচার অঙ্গনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রং, নকশা, বুননে প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রং, নকশা, বুননে প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম

রং, নকশা, বুননে প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম

ফিচার ডেস্ক: দেশের প্রান্তিক এলাকার ভূমিহীন মানুষের যাপিত জীবন, চারপাশের প্রকৃতি এবং সংগ্রামের গল্প নিয়ে ঢাকায় শুরু হয়েছে এক ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী। রাজধানী ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনীর শিরোনাম দেওয়া হয়েছে প্রান্তিকের কল্পজগৎ। অধিকারভিত্তিক সংগঠন নিজেরা করির পথচলার পঁয়তাল্লিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। সংগঠনটির বিভিন্ন শাখার সদস্য এবং তাদের পরিবারের শিশু ও কিশোরেরা এসব শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন। এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছে বৃত্ত আর্ট ট্রাস্ট এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশন।

সম্প্রতি আয়োজিত এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুক্তিযোদ্ধা শিল্পী অধ্যাপক আবুল বার্ক আলভী এবং খুলনার ভূমিহীন নেত্রী রাহেলা বেগম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশী কবির বলেন, সংগঠনটি শুরু থেকেই প্রান্তিক মানুষকে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে এবং অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে কাজ করে যাচ্ছে। তারা কোনো ধরনের আর্থিক সাহায্য বা ঋণ বিতরণের পরিবর্তে শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে এবং সম্মিলিতভাবে অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করে থাকেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংগঠনটির হাজার হাজার ভূমিহীন দল সক্রিয় রয়েছে যেখানে লাখ লাখ সদস্য নানা সামাজিক ও নাগরিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন।

এই প্রদর্শনীতে প্রান্তিক মানুষের সহজাত সৃজনশীলতার চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে যেখানে মূলত তিন ধরনের শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। শিশুরা খবরের কাগজের ওপর নানা বিষয়ের ছবি এঁকেছে এবং বড় আকারের কাপড়ের ওপর অ্যাপ্লিকের নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নানা দৃশ্য। নকশিকাঁথার আদলে তৈরি এই বিশাল কাজগুলোতে উঠে এসেছে সবজি বিক্রেতা, ফুল, পাখি, শহীদ মিনার ও গ্রামীণ জনপদের নানা চিত্র। এ ছাড়া কাপড় ও তুলা দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পুতুল এবং জামদানি শাড়ির ওপর অ্যাপ্লিকের মাধ্যমে নারীদের অধিকার ও সমতার দাবিগুলো ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বৃত্ত আর্ট ট্রাস্ট এবং জলপুতুল পাপেটসের শিল্পীরা এই শিল্পকর্ম তৈরিতে কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের সহযোগিতা করেছেন।

প্রদর্শনীটির কিউরেটরের দায়িত্ব পালন করেছেন বৃত্ত আর্ট ট্রাস্টের ট্রাস্টি শিল্পী মাহ্‌বুবুর রহমান। তিনি জানান, দেশের কয়েকটি অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষদের নিয়ে কর্মশালার মাধ্যমে এই শিল্পকর্মগুলো তৈরি করা হয়েছে যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সম্পূর্ণ নিজেদের স্বাধীন চিন্তাভাবনা ও জীবনঅভিজ্ঞতা ফুটিয়ে তুলেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পশিক্ষার বাইরে থাকা এসব মানুষের নিখাদ শিল্পকর্ম দর্শকদের মাঝে আলাদা এক অনুভূতির জন্ম দিচ্ছে। এই প্রদর্শনীটি নির্ধারিত দিন পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল চারটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে এবং সমাপনী দিনে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পরিবেশনায় নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার কথা রয়েছে।