খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

‘ভুল মানুষের সঙ্গে বিয়ে হলে কেউই সুখী হবে না’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘ভুল মানুষের সঙ্গে বিয়ে হলে কেউই সুখী হবে না’

‘ভুল মানুষের সঙ্গে বিয়ে হলে কেউই সুখী হবে না’

নিজেকে ভাঙাগড়ার খেলায় মেতেছেন শাকিব খান। প্রতি ঈদে তিনি যেমন নতুন পরিচালকদের সুযোগ করে দিচ্ছেন, তেমনি নিজেকে নিয়েও করছেন দেদার পরীক্ষা-নিরীক্ষা। শাকিব খান নিজেকে ভাঙছেন ঠিকই, কিন্তু পরিচালকেরা কি তাঁকে সেভাবে কাজে লাগাতে পারছেন? কথা হচ্ছিল ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া আজমান রুশোর সিনেমা ‘রকস্টার’ নিয়ে। টিজার, পোস্টার আর গান দিয়ে মুক্তির আগে যেভাবে সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ জাগিয়েছিলেন নতুন পরিচালক, সিনেমা হলে গিয়ে সেসবের প্রতিফলন কতটা দেখতে পেলেন দর্শক?


শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, ‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, ‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। 


আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, ‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।
advertisement
advertisement

৯৩০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং: পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৯৩০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং: পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

৯৩০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং: পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

অপরাধ ডেস্ক: বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রতিষ্ঠিত সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের করা একটি পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। একই আদেশে বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর আয়কর নথি জব্দেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সূচনা ফাউন্ডেশন বিগত বেশ কয়েকটি করবর্ষে প্রায় এক কোটি টাকার মতো কর পরিশোধ না করে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। ভুয়া কর জমাসংক্রান্ত রেকর্ডপত্র তৈরি এবং অডিট প্রতিবেদনে আয়কর খরচ দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের টাকার লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৯৩০ কোটি টাকার বেশি লেনদেনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে একটি মামলা চলমান রয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, সূচনা ফাউন্ডেশনের আর্থিক অনিয়মের পেছনের প্রকৃত চিত্র উন্মোচন করতে এই নথিপত্র অত্যন্ত জরুরি। ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম শুরুর পর থেকে সাম্প্রতিক করবর্ষ পর্যন্ত যাবতীয় আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদি দ্রুত জব্দ করা একান্ত আবশ্যক বলে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবীরা।

অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর বিরুদ্ধেও দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং তার কোনো গোপন সম্পদ রয়েছে কি না তা যাচাই করতে আয়কর নথি জব্দের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদন দুটি মঞ্জুর করে প্রয়োজনীয় নথি জব্দের এই আদেশ দেন।

অভিযোগ আছে—অনেক বিচারক দুই-তিন ঘণ্টা আদালত করেন: আইনমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অভিযোগ আছে—অনেক বিচারক দুই-তিন ঘণ্টা আদালত করেন: আইনমন্ত্রী

অভিযোগ আছে—অনেক বিচারক দুই-তিন ঘণ্টা আদালত করেন: আইনমন্ত্রী

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং বিচারিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বাড়াতে কড়া বার্তা দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সম্প্রতি রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিচারকদের সময়মতো দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এ সময় কিছু বিচারকের বিরুদ্ধে কম সময় আদালত পরিচালনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, নির্দিষ্ট কিছু স্থানে বিচারকদের কেউ কেউ প্রতিদিন মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা আদালতের কাজ পরিচালনা করে থাকেন। তারা অনেক ক্ষেত্রে বেলা ১১টার দিকে আদালতে আসেন এবং দুপুর দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যেই বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে চলে যান। এই ধরনের কর্মপদ্ধতি বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ায় এবং বিচারব্যবস্থার সামগ্রিক কার্যকারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে তিনি মনে করেন।

অনুষ্ঠানে দেশের তরুণ বিচারকদের ভূয়সী প্রশংসা করে আইনমন্ত্রী জানান যে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিচারব্যবস্থাকে আধুনিক করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল খাতকে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, তরুণ বিচারকেরা যথেষ্ট স্মার্ট এবং তারা এই প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ সাফল্যের সঙ্গেই মোকাবিলা করবেন। বিচার বিভাগকে সাধারণ মানুষের পূর্ণ আস্থা ও ভরসার প্রতীকে পরিণত করতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

বিচার বিভাগের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান যে বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ছেচল্লিশ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ মামলার জট দূর করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং সরকার এই চাপ কমাতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যেই ই-জামিন বা ই-বেইল বন্ড চালুর ফলে সাধারণ মানুষ সুফল পেতে শুরু করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিচারপ্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সাক্ষ্য গ্রহণ এবং হাজিরা দেওয়ার পদ্ধতিতেও আধুনিকায়ন আনা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: তিস্তা নদী অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করা এবং উত্তরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ নির্ধারিত সময়ে শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সম্প্রতি লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল পরিদর্শনের সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২০২৭ সালের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেগা প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে ইতিমধ্যে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কারিগরি পর্যায়ে নানা আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। নদী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কারিগরি কমিটি প্রকল্পটি নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছে এবং এর সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজও প্রায় শেষের পথে রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন পেলে এই উদ্যোগটি আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের সঙ্গে দেশি ও বিদেশি একদল খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ যুক্ত রয়েছেন বলে জানান ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন যে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস বা সিইজিআইএস, নদী কমিশন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে এই সব পরামর্শ একত্র করে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব বা ডিপিপি তৈরির কাজ চলমান রয়েছে, যার জন্য আরও কিছু সময় প্রয়োজন।

প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন। এর মাধ্যমে তিস্তাপাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের অভিশাপ নদীভাঙন, প্রলয়ঙ্করী বন্যা ও জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে এবং উত্তরাঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটবে। পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।