খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে দেশ ও দেশের বাইরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। সম্প্রতি সিলেট নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে দলের অন্যতম শীর্ষ এই নেতা জানান যে, শ্রমিক অসন্তোষকে পুঁজি করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির গভীর পাঁয়তারা চলছে। বিগত দীর্ঘ সময় ধরে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো এসব পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণের উদ্দেশ্যে এই ধরনের অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওই বিএনপি নেতা আরও অভিযোগ করেন যে, রাজনৈতিকভাবে পরাজিত শক্তিগুলো সাধারণ শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে রাজপথে নামানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটা শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও তিনি দাবি করেন। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা থেকে সরকারবিরোধী ছাত্র ও যুব সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের দায় স্বীকার করে অনেকের আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার ঘটনাও জনসমক্ষে এসেছে।

সামাজিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার যেকোনো ধরনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দেশের সাধারণ মানুষ বরাবরই শান্তিপ্রিয় এবং তারা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচন করতে ইচ্ছুক। পেছনের দরজা দিয়ে বা চোরাপথে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের যেকোনো ষড়যন্ত্র এদেশের সচেতন জনগণ অতীতেও প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান তিনি।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন। জেলা ও উপজেলা স্তরের নেতৃবৃন্দ স্থানীয় পর্যায়ে জনসমর্থন এবং জনপ্রিয়তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে উপযুক্ত প্রার্থীদের মনোনয়ন দেবেন। নির্বাচনের তফসিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হওয়ার পর দলীয় মনোনয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান করা হবে। উক্ত মতবিনিময় সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক শীর্ষ স্থানীয় নেতাসহ স্থানীয় পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
advertisement

তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং শিল্পায়নের গতিকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বন্ধুরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন এক উচ্চতায় উন্নীত করার প্রচেষ্টা চলছে। দুই দেশের মধ্যকার এই সহযোগিতামূলক সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিভিন্ন মেগা প্রকল্প এবং শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার নানা উদ্যোগ। সম্প্রতি জাপান সফরকালে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদারত্বে অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে বিখ্যাত বিগ-বি বা বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট উদ্যোগ। এই মহাপরিকল্পনার আওতায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি শক্তিশালী শিল্প করিডর গড়ে তোলার কাজ চলছে, যা সমগ্র অঞ্চলের বাণিজ্যের গতিপথ বদলে দিতে পারে। যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে জাপানি অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বেশি মাত্রায় পুঁজি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান শ্রমবাজার, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সুবিধা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ জাপানি উদ্যোক্তাদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। পাশাপাশি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে কেবল শিল্পায়নই ত্বরান্বিত হবে না, বরং লাখ লাখ যুবকের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের প্রবৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

পরিশেষে, এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কেবল অর্থনৈতিক লেনদেনের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দুই দেশের বন্ধুত্বের শেকড় আরও গভীরে প্রোথিত করার একটি অনন্য মাধ্যম। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং উন্নত বিশ্বের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে দেশের তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত করতে এ ধরনের কূটনৈতিক সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উভয় দেশের শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের আন্তরিক সদিচ্ছা এবং সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের এই অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর কঠোর সমালোচনা করে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছেন যে তিনি কখনোই প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। সম্প্রতি হায়দরাবাদে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। ভারতীয় জনতা পার্টির জ্যেষ্ঠ এই নেতা এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করলেন, যখন দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা বিষয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। সমাবেশে উপস্থিত সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে দেওয়া তাঁর এই বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাংক রক্ষা করার জন্য কংগ্রেস দল ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে বলে অভিযোগ তোলেন অমিত শাহ। তাঁর মতে, ভোটার তালিকা থেকে অবৈধ ও অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কংগ্রেস সেটি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। ভুয়া ভোটের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় আসার অপচেষ্টা চলছে বলেও তিনি দাবি করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কংগ্রেসের এই আপত্তি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত এবং অনৈতিক।

এ সময় রাহুল গান্ধীর পক্ষ থেকে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার যে দাবি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেন অমিত শাহ। তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন যে বাদ পড়া নামগুলোর একটি বড় অংশের মানুষ অন্য স্থানে চলে গেছেন অথবা মৃত ব্যক্তি। যেসব ভোটার অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়েছেন কিংবা মারা গেছেন, তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বলে তিনি উল্লেখ করেন। মৃত ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে অতীতে বা বর্তমানে কোনো সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

তেলেঙ্গানার কংগ্রেস সরকারের তীব্র সমালোচনা করে অমিত শাহ বলেন, রাজ্যটিকে দিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রগুলোর জন্য একটি এটিএমে পরিণত করেছে বর্তমান রাজ্য সরকার। এছাড়াও অতীত সরকারের আমলের বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোটের শাসনকালে বড় ধরনের দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক তহবিলের অপব্যবহার করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করতে এই সমাবেশে জোরালো আক্রমণাত্মক অবস্থান নেন ভারতীয় জনতা পার্টির এই শীর্ষ নেতা।

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘ আড়াই বছরের দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে রাজধানী ঢাকায় পুনরায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ইউএস ট্রেড শো। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই বিশেষ বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বাণিজ্যিক সম্পর্কের এই নতুন যাত্রার মূল লক্ষ্য হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। দেশের বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তা এবং মার্কিন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে এই বিশাল বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

এই বাণিজ্য প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান তাদের আধুনিক পণ্য, প্রযুক্তি এবং সেবা প্রদর্শন করবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে মার্কিন পণ্যের পরিচিতি বাড়ার পাশাপাশি দেশীয় উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন। বিশেষ করে দেশের উদীয়মান শিল্পখাতগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

আয়োজক কর্তৃপক্ষের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ট্রেড শো দুই দেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।