খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সৈয়দপুরে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জ্বালানী সংকট নিরসনে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট গড়ে তুলতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৈয়দপুরে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জ্বালানী সংকট নিরসনে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট গড়ে তুলতে হবে

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক অনুষ্ঠানে দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট গড়ে তুলতে হবে। যাদের মাত্র ৩-৫ টি গরু বা শতাধিক হাঁস-মুরগি আছে তারাই যেন এই উদ্যোগ নেন। এক্ষেত্রে সরকার সার্বিকভাবে সহযোগীতা করবে। এতে ব্যক্তিগত আর্থিক লাভবান হওয়ার সাথে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন। যা একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমাদের সকলের কর্তব্য। বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুরে উপরোক্ত মন্তব্য করেছেন। তিনি সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের আইসঢাল গ্রামে একটা বায়োগ্যাস প্লান্ট পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহবান জানান। সংবাদ কর্মীদের মাধ্যমে তিনি দেশের সর্বস্তরের যুব সমাজকে এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসতে বলেন। এসময় বায়োগ্যাস প্লান্ট গড়ে তুলতে সরকারি ঋণ বাবদ জেলার ৫ জন উদ্যোক্তাকে ১ লাখ ৫০ হাজার করে মোট সাড়ে ৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ করেন। একইসাথে গ্যাসের চুলায় আগুন জ্বালিয়ে উদ্যোক্তা মাহবুব মুকুলের বায়োগ্যাস প্লান্টের সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে নীলফামারী জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার ও উদ্যোক্তা মাহবুব মুকুল বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী জেলা যুব ও ক্রীড়া অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিলগির আলম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা ও সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা,উপজপলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হায়াত আলী জাফরী,বিএনপি সহ সভাপতি এস এম ওবায়দুর রহমান সহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি এবং যুব উদ্যোক্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সৈয়দপুর উপজেলা যুব ও ক্রীড়া কর্মকর্তা মতিউর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর হাত থেকে ঋণের চেক প্রাপ্ত উদ্যোক্তরা হলেন, নীলফামারী সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের হাবিবুর রহমানের স্ত্রী নিলুফা বেগম এবং জলঢাকার পশ্চিম গোলমুন্ডার মমিনুর রহমানের স্ত্রী মমতা ইয়াসমিন, ডাউয়াবাড়ির মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সোহরাব হোসেন, খারিজা গোলনার ওলিয়ার রহমানের ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান ও কালকেউট মীরগঞ্জের মোশফিকুর রহমানের ছেলে বকুল হোসাইন। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যুবক যুবতিরা হলো দেশের অন্যতম সম্পদ। এই সম্পদকে কার্যকর ভাবে কাজে লাগাতে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই স্লোগান নিয়ে কাজ করছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। প্রায় ৮৩ টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে যুব সমাজকে দক্ষ করে গড়ে তোলা হচ্ছে। বায়োগ্যাস প্লান্টও সেই উদ্যোগের প্রতিফলন। আজকের এই উদ্যোক্তার মতো সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে এধরনের আত্মকর্মসংস্থান ও সমাজ উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমে। তাহলেই দেশ এগিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, বায়োগ্যাস প্লান্টের মাধ্যমে জ্বালানি গ্যাস ও জৈব সার উৎপাদন হচ্ছে। এই প্লান্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। ঘরে ঘরে প্লান্ট গড়ে উঠলে গ্যাস ও সারের মতো বিদ্যুৎ সংকট নিরসনেও সহযোগিতা হবে। এতে উদ্যোক্তারা নিজেরা কর্মসংস্থান পেয়ে ও অন্যদের গ্যাস ও বিদ্যুৎ দিয়ে উপকার করে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন। যা দেশপ্রেমিক নাগরিকের দায়িত্ব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রতিটি ইউনিয়নে একটা করে খেলার মাঠ করতে চায়। সেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জেলা উপজেলা পর্যায়ে যে স্টেডিয়ামগুলো আছে সেগুলো আধুনিকায়ন করে খেলার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। যাতে যুব সমাজ মাদকসহ সকল অপরাধ থেকে মুক্ত থাকতে পারে এবং ক্রীড়া নৈপুণ্য বিকাশের সুযোগ পেয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলাধূলায় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে পারে। যুব সমাজকে চলমান বিশ্বের সাথে উপযোগী করে গড়তে আমরা ফ্রিল্যান্সিং এ দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বেশি প্রাধান্য দিয়েছি। এজন্য এআই সহ প্রযুক্তিগত সব বিষয়ের উৎকর্ষ সাধনে প্রশিক্ষণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যাতে দেশে থেকেই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে স্বাবলম্বী হতে পারে। সেই সাথে আগামী প্রজন্মকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যোগ্য করে তুলতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ সংক্রান্ত শিক্ষা কার্যক্রম যুক্ত করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ এর সুফল পাবে।

The post সৈয়দপুরে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জ্বালানী সংকট নিরসনে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট গড়ে তুলতে হবে appeared first on দৈনিক নীলফামারী বার্তা.

advertisement
advertisement

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় এবার মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় মরুভূমির প্রাণী দুম্বা পালনের অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত গবাদিপশুর পাশাপাশি ভিন্নধর্মী এই প্রাণীটি লালন-পালন করে সফলতার মুখ দেখার চেষ্টা করছেন এ অঞ্চলের উদ্যোক্তারা। মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খাদ্যাভ্যাস মিলে যাওয়ায় এই দেশীয় খামারগুলোতে দুম্বা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠছে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দুম্বা পালনের জন্য খুব বড় পরিসরে কোনো অবকাঠামোর প্রয়োজন হয় না এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ ভালো। সাধারণ ছাগল বা ভেড়ার মতো করেই এদের পরিচর্যা করা সম্ভব, যা খামারিদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। এর প্রধান খাদ্য হিসেবে ঘাস, খড় ও দানাদার খাবারের পাশাপাশি দেশীয় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনছে।

বর্তমানে বাজারে দুম্বার মাংসের প্রচুর চাহিদা থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোরবানি ঈদ কিংবা বড় কোনো সামাজিক আয়োজনে এসব দুম্বার চড়া দাম পাওয়া যায়, যা খামারিদের মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জনে সাহায্য করছে। সাধারণ গরুর খামারের তুলনায় কম খরচে ও স্বল্প সময়ে দুম্বা বিক্রি করে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব হওয়ায় নতুন অনেকেই এই ব্যবসায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকেও দুম্বা পালনকারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে চুয়াডাঙ্গার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই লাভজনক দুম্বা পালন ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন খামারি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইউরোপের সাতটি দেশের অসংখ্য সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সাইবার আক্রমণের ফলে দোকানগুলোর বহু রেফ্রিজারেটর এবং ডিপ ফ্রিজ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে বিপণি বিতানগুলোতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক সুপারমার্কেট চেইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আক্রান্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গ। বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গে ডেলহেইজের প্রায় চল্লিশটি শাখা এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ফরাসি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট ক্যারেফোরের বেলজিয়াম শাখা এবং কোলরুইট গ্রুপের পরিচালনাধীন স্পার স্টোরের বেশ কয়েকটি দোকানেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সুইডেনের আইকিয়া, আইসিএ এবং কুপের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও এই হামলার কবলে পড়েছে।

ফ্রিজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান মোয়েলানস বেলগা সংবাদ সংস্থাকে জানান যে হ্যাকাররা সুনির্দিষ্ট কৌশলে ফ্রিজগুলোর ইভাপোরেটর ডিফ্রস্ট মোডে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে যন্ত্রগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। এর আগে কিছুদিন আগে ফ্রান্সেও একই কায়দায় সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুবাদে দূর থেকেই এই ত্রুটি ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে কারিগরি দলগুলো রাতভর পরিশ্রম করেছে।

এই সাইবার হামলার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বেলজিয়াম, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে পুরো বিষয়টি গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটির হিমায়ন ব্যবস্থায় সম্প্রতি ঘটিত কোনো ত্রুটির সঙ্গে ইউরোপের এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের একটি শাখা কর্তৃপক্ষ প্রায় এক লাখ ইউরো মূল্যের পণ্য নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে।

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরকার কোন্দল ও বিভক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে সমর্থন না দিয়ে উল্টো বিরোধী দলের সিনেট প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একজন প্রভাবশালী নেতার এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল-সাইয়েদের সমর্থকেরা দমে যাননি। বরং এই অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন এবং প্রচারণায় নতুন গতিশীলতা এসেছে।

সম্প্রতি মিশিগানের সাউথফিল্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আল-সাইয়েদের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ কর্মী ও সমর্থকেরা জানান, দলীয় নেতার এমন অবস্থান তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি, বরং তাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকেরা মনে করেন, দলের ভেতরের এই অনৈক্য উপেক্ষা করে আল-সাইয়েদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন যে, দলীয় প্রার্থীর বদলে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হ্যালি স্টিভেন্সের নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। তাদের মতে, এই ধরনের অবস্থান দলের ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে যা শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষেই বেশি কাজে লাগতে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের এমন ঘটনাকে তারা একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

এদিকে দলীয় কোন্দলের মাঝেও আল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারশিবির দারুণ এক আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখেছে। স্টিভেন্সের বিরোধিতার ঘোষণার পরপরই মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের তহবিলে চব্বিশ লাখ ডলারের বেশি জমা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ঊনত্রিশ কোটি টাকা। প্রচারণা শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের একদিনে সর্বোচ্চ ফান্ড সংগ্রহের রেকর্ড। এই অভাবনীয় সাফল্যকে সমর্থকেরা নিছক কাকতালীয় বলতে নারাজ, বরং একে তারা দলীয় ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।