খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

তীব্র গরমে বছরে ১,৭৫০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তীব্র গরমে বছরে ১,৭৫০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের

তীব্র গরমে বছরে ১,৭৫০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের

স্বাস্থ্য ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশে একদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ক্ষতিও প্রকট আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ল্যানসেট কাউন্টডাউন ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ এই প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন ইউনিট এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ২০২৫ সালে দেশের সম্ভাব্য আয়ের তুলনায় প্রায় এক হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতি হয়েছে। এর পাশাপাশি তাপজনিত কারণে গত কয়েক দশকে শিশু ও প্রবীণদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গত দশকগুলোর তুলনায় তাপপ্রবাহের সংস্পর্শে আসার হার শিশুদের মধ্যে ১৬২ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ১৩৬ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে বিগত বছরগুলোতে প্রতি বছর গড়ে ২৬ বিলিয়নের বেশি শ্রমঘণ্টা নষ্ট হয়েছে, যা দেশের উৎপাদনশীলতাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি বায়ুদূষণও জনস্বাস্থ্যের জন্য এক মারাত্মক সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। কৃত্রিম উপায়ে সৃষ্ট সূক্ষ্ম কণাদূষণের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের অকালমৃত্যু ঘটেছে। কেবল ২০২৩ সালেই বায়ুদূষণজনিত কারণে দেশে প্রায় দুই লাখ ৩৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এবং গৃহস্থালি দূষণ বড় ভূমিকা রেখেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণের কারণে সৃষ্ট এই অকালমৃত্যুর অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় সাত হাজার ৭৬০ কোটি ডলার, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের একটি বড় অংশের সমান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কেবল নীতিনির্ধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট গবেষক ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা জানান, জাতীয় জলবায়ুনীতিতে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়নে আর্থিক ও কাঠামোগত ঘাটতি রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি উত্তরণে কার্বন নিঃসরণ কমানো, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার সীমিত করা এবং স্বাস্থ্য খাতে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার বিকল্প নেই বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

advertisement
advertisement

ভারতের মধ্যে প্রথম কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হবে ম্যাজিক ইনস্টিটিউট

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতের মধ্যে প্রথম কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হবে ম্যাজিক ইনস্টিটিউট

ভারতের মধ্যে প্রথম কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হবে ম্যাজিক ইনস্টিটিউট

ডেস্ক রিপোর্ট: ঐতিহ্যবাহী জাদুশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং এর সঠিক চর্চা নিশ্চিত করতে ভারতে প্রথমবারের মতো একটি সরকারি ম্যাজিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। কলকাতার বুকে গড়ে উঠতে চলা এই বিশেষ প্রতিষ্ঠানটি এই প্রাচীন ও আকর্ষণীয় শিল্পকলার প্রসারে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই মহৎ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে, যা দেশজুড়ে জাদুকর ও শিল্পানুরাদীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

প্রখ্যাত জাদুকর পি সি সরকারের স্মৃতি এবং অমর অবদানকে সম্মান জানাতে নতুন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি তাঁর নামানুসারে নামকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলা তথা ভারতের জাদুশিল্পকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে এই বিদ্যার সঠিক কৌশল পৌঁছে দিতে এই প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের জাদুকরেরা একটি সরকারি স্বীকৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছিলেন, যার বাস্তবরূপ দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই ইনস্টিটিউটে শুধু জাদু প্রদর্শনের কৌশলই শেখানো হবে না, বরং এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, ইতিহাস ও মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো নিয়েও গভীর গবেষণা ও পঠনপাঠন চলবে। অভিজ্ঞ ও প্রবীণ জাদুকরদের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষাবিদেরাও এই প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রম প্রণয়ন ও প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের পেশাদার জীবনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

রাজ্য সরকারের এই সাহসী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও জাদুকরেরা। তাঁরা মনে করছেন, উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে হারিয়ে যেতে বসা এই শিল্পটি এখন নতুন প্রাণ ফিরে পাবে এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে। খুব শীঘ্রই এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা কলকাতার সাংস্কৃতিক মানচিত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

জাতীয় ডেস্ক: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে বিমান বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠক চলাকালে বিগত সময়ে নেওয়া বিভিন্ন বড় ধরনের ক্রয় চুক্তি এবং সেগুলোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্যরা। বিশেষ করে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট ও নিরপেক্ষ সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি ছাড়া এ ধরনের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

কমিটির একাধিক সদস্যের মতে, রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার কথা বিবেচনা না করে উড়োজাহাজ কেনা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে সংস্থার ওপর আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে। এ কারণে প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে যথাযথ বৈজ্ঞানিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ থাকা আবশ্যক বলে তারা মন্তব্য করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিমানের সেবার মানোন্নয়ন এবং লোকসানি রুটগুলো লাভজনক করার পাশাপাশি নতুন সম্পদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ দেওয়া হয়।

বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সংসদীয় কমিটির বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন। কর্মকর্তারা জানান, দেশের বিমান খাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লক্ষ্যেই নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। তবে কমিটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, ভবিষ্যতে যেকোনো বড় চুক্তি সম্পাদনের পূর্বে অবশ্যই পুঙ্খানুপুঙ্খ সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন করতে হবে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।

সংসদীয় কমিটি মনে করে, সঠিক পরিকল্পনা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে বিমান খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব হবে না। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে দেশের সার্বিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং যাত্রীসেবা আরও উন্নত করার জন্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করে সংসদীয় কমিটি।

পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্য ও অন্তরের শান্তি: নীরব লড়াই থেকে উত্তরণের পথ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্য ও অন্তরের শান্তি: নীরব লড়াই থেকে উত্তরণের পথ
সমাজে প্রচলিত "পুরুষ মানুষ কাঁদতে পারে না" বা "পুরুষ মানেই শক্ত হতে হবে" এমন বাঁধাধরা ধারণার কারণে অনেক পুরুষই নিজেদের মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা লুকিয়ে রাখেন। পরিবারের দায়িত্ব পালন, ক্যারিয়ারের চাপ এবং সামাজিক প্রত্যাশার ভারসাম্য বজায় রাখতে গিয়ে তারা প্রায়ই নিজের মন ও মানসিক শান্তির বিষয়টি অবহেলা করে ফেলেন। অথচ শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই পুরুষদের মানসিক শান্তি ও ভারসাম্য রক্ষা করা সমান জরুরি।১....