খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও কাজের অভিজ্ঞতার সুবাদে চিকিৎসাবিজ্ঞানের গণ্ডি পেরিয়ে জনস্বাস্থ্যের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় ডা. জারিন তাসনিমের। প্রখ্যাত ইরাসমাস মুন্ডুস বৃত্তি অর্জন করে তিনি বর্তমানে ইউরোপের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছেন এবং স্পেনের ওভিয়েদো শহরে নিজের নতুন শিক্ষাজীবন শুরু করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা মহাদেশের বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার অনন্য সুযোগ পেয়ে থাকেন। চিকিৎসাজীবনের ব্যস্ততা ও নানা স্মৃতির বোঝা পেছনে ফেলে তিনি যখন নতুন ক্লাসের উদ্দেশ্যে রওনা হন, তখন তাঁর মনে এক মিশ্র অনুভূতির জন্ম হয়েছিল।

পেশাগত জীবনের প্রথম ধাপে কাজের সুবাদে মাঠপর্যায়ের নানা বাস্তবতার মুখোমুখি হন এই চিকিৎসক। ২০২০ সালে ইন্টার্নশিপ শেষ করার পর তিনি দিনাজপুরে আইসিডিডিআরবির একটি ক্লিনিক্যাল গবেষণায় যুক্ত হন এবং পরবর্তীতে সেভ দ্য চিলড্রেনের হয়ে রংপুরে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্য কার্যক্রমে অংশ নেন। এই অভিজ্ঞতাগুলো তাঁকে বুঝিয়ে দেয় যে রোগীকে শুধু চিকিৎসাসেবা দেওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং একজন মানুষ কেন অসুস্থ হচ্ছেন তার পেছনে সামাজিক ও পরিবেশগত কারণগুলোও গভীরভাবে জড়িত। বিশেষ করে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর চিন্তাধারায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দেয়।

বাস্তুচ্যুত মানুষের শারীরিক ও মানসিক সংকটের বিষয়টি খুব কাছ থেকে দেখার পর চিকিৎসকের ভূমিকার অর্থ তাঁর কাছে সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি অনুধাবন করেন যে সংকটময় পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করাই তাঁর আসল লক্ষ্য। এই উপলব্ধি থেকেই তিনি দুর্যোগকালীন জনস্বাস্থ্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ইরাসমাস মুন্ডুস জয়েন্ট মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেন। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও নিজের অভিজ্ঞতাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার মাধ্যমেই তিনি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বৃত্তি অর্জন করতে সক্ষম হন।

স্পেনের ওভিয়েদো দিয়ে এই শিক্ষাযাত্রা শুরু হলেও তাঁর গন্তব্য কেবল একটি দেশে সীমাবদ্ধ নয়, বরং পরবর্তীতে তাঁকে সুইডেনের কারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটেও পড়াশোনা করতে হবে। বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ভিন্ন স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং নতুন শিক্ষকদের সান্নিধ্যে আসার ফলে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আরও প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদী। চিকিৎসকের পরিচয় অক্ষুণ্ণ রেখেই তিনি এখন বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রমাণভিত্তিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্রত নিয়ে এগিয়ে চলেছেন।

advertisement
advertisement

ক্যারিয়ার যখন ব্যারিয়ার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ক্যারিয়ার যখন ব্যারিয়ার

ক্যারিয়ার যখন ব্যারিয়ার

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বাংলাদেশে আধুনিক কর্মজীবনে সাফল্যের সংজ্ঞা দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে। বর্তমান প্রজন্মের পেশাজীবীদের কাছে ক্যারিয়ারে সফলতার অর্থ কেবল একটি বড় পদ কিংবা মোটা অঙ্কের বেতন অর্জন নয়। এর পাশাপাশি কাজের পরিবেশ, মানসিক শান্তি এবং ব্যক্তিগত আত্মোন্নয়নকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অনেকেই এখন পেশাগত অর্জনের চেয়ে নিজের ভালো থাকাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।

দেশের প্রতিটি পেশার নিজস্ব কিছু সুবিধা এবং নানামুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে। একজন কর্মীর কাজের ধরন ও চাপের ওপর নির্ভর করে তার অভিজ্ঞতার ভিন্নতা তৈরি হয়। তবে সামাজিক ও পেশাগত ক্ষেত্রে অন্যের সঙ্গে নিজের ক্যারিয়ারের তুলনা করার প্রবণতা প্রায়ই তরুণদের মধ্যে হতাশা বাড়িয়ে দেয়। এই মানসিক চাপ তাদের কাজের উৎসাহ কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে কর্মক্ষমতা নষ্ট করে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পেশাগত জীবনে মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত কাজের চাপ কিংবা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত না হলে অনেকেই হতাশায় ভুগে থাকেন, যা তাদের ব্যক্তিগত জীবনকেও প্রভাবিত করে। তাই অন্যের সফলতার পেছনে না ছুটে নিজের স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী কাজের গতি নির্ধারণ করা উচিত।

পেশাজীবীদের মতে, ক্যারিয়ারের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নিজের দক্ষতার পূর্ণ বিকাশ ঘটানো এবং কাজের মাধ্যমে আত্মতৃপ্তি লাভ করা। সামাজিক তুলনা বন্ধ করে নিজের প্রবৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিলে কর্মজীবনে যেমন দীর্ঘস্থায়ী সাফল্য আসে, তেমনই মানসিক শান্তিও বজায় থাকে।

বাংলাদেশকে ধবলধোলায়ের হুমকি ওয়েস্ট ইন্ডিজের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশকে ধবলধোলায়ের হুমকি ওয়েস্ট ইন্ডিজের

বাংলাদেশকে ধবলধোলায়ের হুমকি ওয়েস্ট ইন্ডিজের

খেলা ডেস্ক: মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশকে সহজেই পরাজিত করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। মাত্র চার দিনের মধ্যে আট উইকেটের এই বড় জয় ক্যারিবীয় শিবিরে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। এই জয়ের পর সফরকারীদের মূল লক্ষ্য এখন শেষ ম্যাচেও জয় তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে সিরিজে ধবলধোলাই করা। প্রথম টেস্টে ফ্লাডলাইটের জটিলতা এবং বৃষ্টির কারণে বেশ কিছু ওভার নষ্ট হওয়া সত্ত্বেও ক্যারিবীয়রা দুর্দান্ত পারফর্ম করে মাঠ ছেড়েছে।

ম্যাচটিতে পরাজয় ঘটলেও সাম্প্রতিক সময়ে ঘরের মাঠে টেস্ট ফরম্যাটে বাংলাদেশের রেকর্ড বেশ ভালো। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের মাটিতে সবশেষ সাতটি টেস্ট ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই জয় তুলে নিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় বাংলাদেশ দল সেরা পাঁচের মধ্যে অবস্থান করলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ রয়েছে আট নম্বরে। তা সত্ত্বেও মিরপুরের বাইশ গজে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে অতিথিরা।

ম্যাচ শেষে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের অফিশিয়াল ভিডিও বার্তায় দলের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশের মাটিতে এসে জয় ছিনিয়ে আনা কখনোই সহজ কাজ নয় এবং তাদের দলের মানসিকতা সবসময় জয়ের জন্যই প্রস্তুত। দলের অধিনায়ক ও খেলোয়াড়দের মাঝে জয়ের যে ক্ষুধা দেখা যাচ্ছে, তা তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। বছরটি একটি ইতিবাচক ফলাফলের মাধ্যমে শেষ করতে তারা অত্যন্ত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আরেক ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ফিল সিমন্স, যার প্রশংসা করতে ভোলেননি ড্যারেন স্যামি। তিনি স্বীকার করেছেন যে ফিল সিমন্সের অধীনে বাংলাদেশ দল টেস্ট ক্রিকেটে তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স করছে এবং প্রতিপক্ষকে সহজে ছেড়ে দেবে না। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলে বাংলাদেশের নিজস্ব লক্ষ্য ও পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নিজেদের খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম এবং সার্বিক প্রস্তুতি দেখে কোচ স্যামি আত্মবিশ্বাসী যে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী ম্যাচের জন্যও তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।

আগামী ৫ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি শুরু হতে যাচ্ছে। প্রথম ম্যাচের এই দাপুটে জয়কে পুঁজি করে শেষ ম্যাচেও বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে চায় ক্যারিবীয়রা। বার্বাডোজে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্র শুরু হওয়ার সময় যে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা অর্জনের জন্য মুখিয়ে রয়েছে পুরো ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। অন্যদিকে ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে মুখিয়ে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ দলও।

বাক্স্বাধীনতা ক্ষুণ্নের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই, রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান নিয়ে রিট খারিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাক্স্বাধীনতা ক্ষুণ্নের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই, রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান নিয়ে রিট খারিজ

বাক্স্বাধীনতা ক্ষুণ্নের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই, রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান নিয়ে রিট খারিজ

আইন-আদালত ডেস্ক: সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার অধীনে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ ও শাস্তির বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন উচ্চ আদালত। বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন। রিট আবেদনকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান আদালতের পক্ষ থেকে চার পৃষ্ঠার এই পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন।

চলতি বছরের শুরুতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৬ ধারার সঙ্গে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অসাংবিধানিক ও কার্যকারিতাহীন ঘোষণা করার আর্জি জানিয়ে এই রিটটি দায়ের করেছিলেন। রিট আবেদনকারীর মূল যুক্তি ছিল যে, রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের যে সংজ্ঞা এবং শাস্তির বিধান এই ধারায় নির্ধারণ করা হয়েছে, তা দেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের যে চিন্তা, বিবেক এবং বাক্স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে তার ওপর অযৌক্তিক ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

মূলত ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি মৌখিক বা লিখিত বক্তব্য, কিংবা কোনো চিহ্ন বা দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে আইনসম্মতভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা বা অবজ্ঞা তৈরি করার চেষ্টা করেন কিংবা অসন্তোষ উসকে দেন, তবে তার জন্য যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। এই ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সরকারের কোনো কাজের সমালোচনা করা অপরাধ নয়, যদি না তার মাধ্যমে সরকারের প্রতি সরাসরি অবজ্ঞা বা অসন্তোষ ছড়ানোর উদ্দেশ্য থাকে।

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ আদেশে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় দফায় নাগরিকদের বাক্স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হলেও রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে তাতে যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেছেন যে, এই ধারার কারণে কোনো নির্দিষ্ট নাগরিক বা ব্যক্তি বাক্স্বাধীনতার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন কিংবা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়ে কোনো আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হয়েছেন—এমন কোনো সুনির্দিষ্ট বা জোরালো অভিযোগ রিট আবেদনে তুলে ধরা হয়নি।

আদালত মনে করেন যে, পর্যাপ্ত ভিত্তি বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের অনুপস্থিতিতে এই রিট আবেদনটির কোনো বাস্তব সারবত্তা নেই, যার ফলে এটি খারিজের যোগ্য। আদালতে রিটকারী আইনজীবী নিজেই শুনানিতে অংশ নেন, অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ উপস্থিত ছিলেন।