খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জুলাই–অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭.০৪ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জুলাই–অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭.০৪ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ

জুলাই–অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭.০৪ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে অক্টোবর সময়কালে দেশের পণ্য রপ্তানি আয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত সময়ে মোট রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক শূন্য চার বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই অর্জনের পরিমাণ ছিল ১৬ দশমিক শূন্য আট বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এই ব্যবধানে বৈদেশিক বাণিজ্যে রপ্তানি আয় প্রায় ছয় শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি উৎসাহব্যঞ্জক বার্তা বয়ে এনেছে।

এই সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির পেছনে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে দেশের তৈরি পোশাক খাত। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ দশমিক চার শতাংশই এসেছে এই পোশাক খাত থেকে। এর মধ্যে নিটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি সাত শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে সাত দশমিক একাত্তর বিলিয়ন ডলারে এবং ওভেন পোশাকের রপ্তানি চার দশমিক আট শতাংশ বেড়ে ছয় বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। সামগ্রিক রপ্তানির মোট প্রবৃদ্ধির প্রায় একষট্টি শতাংশই এই দুই উপখাতের হাত ধরে অর্জিত হয়েছে যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে পোশাক শিল্পের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রমাণ করে।

পোশাক শিল্পের পাশাপাশি বেশ কিছু অ-পোশাক খাতের পণ্য রপ্তানিতেও চমৎকার প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে পাট ও পাটজাত পণ্যে প্রায় চব্বিশ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে প্রায় তেরো শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যের রপ্তানিতে সাতাশ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এছাড়া হোম টেক্সটাইল এবং পাদুকা শিল্পের রপ্তানিও ইতিবাচক ধারায় রয়েছে যা রপ্তানি বাণিজ্যের বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে একটি শুভ লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে এই সামগ্রিক অর্জনের মাঝেও কৃষিপণ্য, হিমায়িত মাছ এবং তুলাজাত কিছু পণ্যের রপ্তানিতে কিছুটা নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি বা পতন দেখা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, রপ্তানি আয়ের এই ধারাবাহিক ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে হলে পণ্যের গুণগত মান আরও উন্নত করার কোনো বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়িয়ে নতুন নতুন গন্তব্যে বাজার সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে যে খাতগুলোতে সাময়িকভাবে রপ্তানি কমে গেছে, সেগুলোর মূল প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। সঠিক নীতিনির্ধারণ এবং সময়োপযোগী সহায়তার মাধ্যমে দেশের রপ্তানি খাত আরও সুদৃঢ় অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

advertisement
advertisement

প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম সুখী দেশ হিসেবে খ্যাত ফিনল্যান্ডে ভালোবাসার মানুষ খোঁজার দারুণ এক সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশটির সরকারি পর্যটন সংস্থা ভিজিট ফিনল্যান্ড বিশ্বজুড়ে থাকা অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনা খরচে এই দেশ ভ্রমণের আয়োজন করেছে। ফিনিশ সংস্কৃতি, সুস্বাদু স্থানীয় খাবার ও নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এই দারুণ অভিজ্ঞতা পেতে অনেকেই এখন থেকেই আগ্রহ প্রকাশ করছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অবিবাহিত মানুষেরা একসঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

ফিনিশ ডিনার ডেট নামক এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের আওতায় সারা বিশ্ব থেকে নির্বাচিত মোট ১৬ জন অবিবাহিত অতিথিকে ফিনল্যান্ডে আমন্ত্রণ জানানো হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ২০২৭ সালের ৯ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ভ্রমণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই পুরো সফরে অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত খরচ, হোটেল বা আবাসনের ব্যবস্থা, প্রতিদিনের খাবার এবং অন্যান্য সব আয়োজনের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে ফিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বিজয়ীরা কোনো প্রকার আর্থিক চিন্তা ছাড়াই দেশটির চমৎকার আবহাওয়া ও সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

এই ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো দেশটির স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে বিশেষ নৈশভোজে অংশ নেওয়ার সুযোগ। হেলসিংকি ও তাম্পেরে শহরের নামী রেস্তোরাঁয় স্থানীয় অবিবাহিত ফিনিশ নাগরিকদের সঙ্গে একই টেবিলে বসে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা লাভ করবেন বিদেশি অতিথিরা। দেশটির শীর্ষস্থানীয় শেফদের তৈরি বিশেষ মেন্যুতে স্থান পাবে বুনো মাছ, বিভিন্ন ধরনের বুনো বেরি এবং বন থেকে সংগৃহীত সুস্বাদু মাশরুম। বিজনেস ফিনল্যান্ডের আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক হেলি হিমেনেজ জানিয়েছেন, ফিনল্যান্ডের এই খাবারগুলো মূলত তাদের সুখী জীবনযাপনের সংস্কৃতিরই আসল রূপ ফুটিয়ে তোলে। খাবারের আয়োজনের মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃতি এবং একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত হতে পারে।

এই বিশেষ উদ্যোগের পেছনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে ফিনল্যান্ডের জনপ্রিয় একটি ডেটিং প্রবণতা, যাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় সিঙ্কুকোরি। বাংলায় এর অর্থ দাঁড়ায় অবিবাহিতদের ঝুড়ি। দেশটির বেশ কিছু সুপারশপে সিঙ্গেল ক্রেতাদের জন্য গোলাপি রঙের বিশেষ ঝুড়ি রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। এই ঝুড়ি ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা নিজেদের অবিবাহিত পরিচয় প্রকাশ করে সহজেই অন্য মানুষের সঙ্গে কথা বলার বা পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান। ফিনল্যান্ডের এই সহজ ও সুন্দর সংস্কৃতির আলোকেই মূলত আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই ডিনার ডেটের আয়োজন করা হয়েছে।

এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে আবেদনকারীকে অবশ্যই কমপক্ষে আঠারো বছর বয়সী হতে হবে এবং ফিনল্যান্ড বাদে বিশ্বের যে কোনো দেশের অবিবাহিত নাগরিক হতে হবে। আবেদনের শেষ সময় নির্ধারিত হয়েছে আগামী ২০২৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশিত হবে একই বছরের ১ ডিসেম্বর। এতে অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের ইংরেজিতে একটি ছোট্ট ভিডিও তৈরি করতে হবে। ভিডিওতে ডিনার ডেটে সঙ্গীকে কী খাবার খাওয়াতে চান এবং কেন খাওয়াতে চান, সে বিষয়ে উত্তর দিতে হবে। এরপর সেই ভিডিও টিকটক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের মতো কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দিষ্ট হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে পোস্ট করতে হবে এবং ভিজিট ফিনল্যান্ডকে ট্যাগ করতে হবে।

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

খেলা ডেস্ক: ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম তিন ম্যাচ হেরে আগেই শিরোপা হাতছাড়া করেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে সিরিজের শেষ অংশে এসে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে কিউইরা। শেষ দুটি ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে তারা ভারত সফরের একটি সুখকর ও সন্তোষজনক সমাপ্তি টেনেছে। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ভারতকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে সফরকারী দল। দুর্দান্ত ব্যাটিং ও বোলিং প্রদর্শনী উপহার দিয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠ ছেড়েছে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা।

ভারতের দেওয়া ১৯২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের একদম শুরুতে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ফিন অ্যালেন। তবে শুরুর সেই চাপ বেশ ভালোভাবে সামলে নেন টিম শেইফার্ট ও ড্যারেল মিচেল। দ্বিতীয় উইকেটে তাদের জুটিতে আসে মূল্যবান ৭৩ রান, যা দলের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। এরপর শেইফার্ট গ্লেন ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৮৬ রানের এক অসাধারণ জুটি গড়েন।

ম্যাচে সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম শেইফার্ট। মাত্র সাত রান দূরে থাকতে তিনি আউট হন, তবে তার আগে ৫০ বলে ৯৩ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। এছাড়া গ্লেন ফিলিপস ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই দুই ব্যাটারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে ১৮ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল ভারত। দলীয় ১৯ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। এরপর শ্রেয়াস আইয়ার ও ঈশান কিষান দলের হাল ধরেন এবং পাল্টা আক্রমণ চালান। ঈশান ৩২ বলে ৬১ এবং আইয়ার মাত্র ২৩ বলে ৫০ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত নমন ধীর ও নিতিশ কুমার রেড্ডির ছোট কিন্তু কার্যকরী অবদানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯১ রানের পুঁজি পায় ভারত।

ভারতের বিশাল সংগ্রহ আটকে রাখতে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন অ্যাডাম মিলনে। তিনি মাত্র ১৯ রান খরচ করে শিকার করেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৪টি উইকেট। এছাড়া নাথান স্মিথ ও ব্লাইর টিকনার প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট দখল করেন। বোলিংয়ে এমন নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সের ফলেই ভারত বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ে।

কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে সম্প্রতি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছিল 'বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল'। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাস্তবায়িত এই আয়োজনে সমাজের বিভিন্ন প্রান্তের শারীরিক ও মানসিক চ্যালেঞ্জ জয় করা শিল্পীরা তাদের প্রতিভার দ্যুতি ছড়ান। আমন্ত্রিত অতিথিদের আলোচনা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পুরো অনুষ্ঠানটি একটি ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক মিলনমেলায় পরিণত হয়। সমাজের মূলধারার সাথে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতেই সুইড বাংলাদেশের শিল্পীরা 'মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি' শিরোনামে একটি চমৎকার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন, যার কোরিওগ্রাফি করেছিলেন রেশমী আবেদীন। এরপর চুয়াডাঙ্গা জেলা কালচারাল অফিসার সুজন রহমান 'আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন' গান গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। ল্যাবরেটরি মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা অমিত হাসানের নির্দেশনায় 'এই রাঙামাটির পথে লো' গানের সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে। এছাড়া শারমিন আক্তার শিকু ও সায়মা শারমিন ইমার একক সংগীত পরিবেশনা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে এক্সপ্রেশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির শিল্পীরা রাফিয়া খন্দকারের পরিচালনায় 'বিহুর এ লগন মধুর এ লগন' শিরোনামের সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন। এ ছাড়া শান্ত রহমানের একক সংগীত 'আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন হয়' এবং শাহিন রেজা রাসেলের একক আবৃত্তি উপস্থিত দর্শকদের দারুণভাবে আনন্দিত করে। সবশেষে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় 'আয় তব সহচরি হাতে হাতে ধরি' সমবেত নৃত্য দিয়ে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা পর্বের সমাপ্তি ঘটে। সবার জন্য উন্মুক্ত থাকায় এই আয়োজনে বিভিন্ন স্তরের বহু দর্শক উপস্থিত হয়ে শিল্পীদের উৎসাহ জোগায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি সচিব ইয়াসমিন বেগম এবং মুখ্য আলোচক ছিলেন সরকারি সংগীত কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আলেয়া পারভীন। যুগ্ম সচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহা. হারুন-অর-রশীদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের সৃজনশীল বিকাশ ও সাংস্কৃতিক অধিকার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।