খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক এবং পাসের হার শূন্য, সেগুলোকে কঠোর জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এই ফলাফলের পরিসংখ্যান প্রকাশের পর থেকেই দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই পরিস্থিতিতে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়েছেন। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিষ্ক্রিয়তা দূর করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশের মোট ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি, অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার সম্পূর্ণ শূন্য। অথচ এর আগের বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি, যা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে বিগত বছরের তুলনায় এবার ফলাফল বিপর্যয় ঘটা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক লাফে একানব্বইটি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ১৩৯টিতে এসে ঠেকেছে। সামগ্রিক এই পরিসংখ্যান দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও তদারকির ওপর এক বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।

এই শোচনীয় ফলাফলের নেপথ্যের কারণ উদঘাটন এবং দায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা প্রশাসন। শিক্ষামন্ত্রী তাঁর ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই ধরনের শূন্য পাস করা এবং আশঙ্কাজনকভাবে খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল মনে করছেন, শিক্ষার মানের এই অবনতি রোধ করতে হলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়মিত নজরদারি এবং শিক্ষকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। যেসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি একাডেমিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, শিক্ষা প্রশাসনের এই তদারকি ও কঠোর পদক্ষেপের ফলে আগামীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পাঠদান প্রক্রিয়া আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর করতে বাধ্য হবে।

advertisement
advertisement

৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

ধর্ম ডেস্ক: চলতি বছর বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে হজে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসা সংক্রান্ত অতিরিক্ত কেটে রাখা অর্থ ফেরত দিয়েছে সৌদি আরব। সম্প্রতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এই তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় দশ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যা সৌদি মুদ্রায় ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ রিয়াল। হজযাত্রীদের আর্থিক সুরক্ষা প্রদান এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের জোরালো কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলেই এই অর্থ সফলভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি হজ এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরব গমনকারী ৩১০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে প্রায় ২৯ লাখ ৭৬ হাজার রিয়াল এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার রিয়াল কেটে রাখা হয়েছিল। মূলত বীমা বহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয় মেটানোর জন্য এই অর্থ কর্তন করা হয়েছিল যা পরবর্তীতে ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর ধর্ম মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু করে এবং গত ২৯ অক্টোবর সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত আসে। এই সফলতার মধ্য দিয়ে দেশের নাগরিকদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সরকারের আন্তরিকতা আবারও প্রমাণিত হলো বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা।

সৌদি কর্তৃপক্ষের এই অর্থ কর্তন করার পেছনে তাদের কোনো প্রশাসনিক ভুল ছিল না বলে স্পষ্ট করেছেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি, ক্যানসার ও কিডনি রোগী, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের হজে না পাঠানোর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সৌদি সরকারের। তবে চিকিৎসকদের কিছু অনিয়ম বা অবহেলার কারণে এ ধরনের রোগীরা হজে যাওয়ায় এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। তা সত্ত্বেও সৌদি প্রশাসন বাংলাদেশের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়ায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে হজ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কল্যাণমুখী উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ২০২৬ সালের হজের উদ্বৃত্ত থেকে চার হাজারেরও বেশি হজযাত্রীকে প্রায় চার কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী ২০২৭ সালের হজের বিমান ভাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতীতের তুলনায় এই ভাড়া কমার ফলে সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। সুষ্ঠুভাবে আগামী হজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দরকষাকষি চলছে। এর ফলে জোটের ভেতরের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের অবনতি ঘটছে এবং দূরত্ব ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জোটের শরিক দলগুলোর ভেতরের সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থী মনোনয়ন এবং আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত বা দাবি যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। জাতীয় রাজনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভালো ফল অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে দলগুলো মাঠে নামতে চাইছে। কিন্তু জোটের বড় শরিকের মনোভাবের কারণে ছোট দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আগামী দিনের আন্দোলন ও নির্বাচনী কার্যক্রমে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজনীতি সচেতন মহলে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে জামায়াতের এই জোটের ভেতরে আসলে ঠিক কী ঘটছে। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই দলগুলো একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শরিক দলগুলোর ভেতরে তৈরি হওয়া এই চাপা ক্ষোভ শেষ পর্যন্ত জোটের ঐক্যকে টিকিয়ে রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই বিরোধ বড় ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে জোটের শীর্ষ নেতারা এই সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন কি না, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। শরিক দলগুলোর মধ্যকার এই দূরত্ব যদি দ্রুত দূর করা না যায়, তবে জোটের ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে বড় কোনো ভাঙনের কথা স্বীকার করা হয়নি, তবে ভেতরের টানাপোড়েন যে চরমে পৌঁছেছে তা তাদের বক্তব্যে কিছুটা হলেও প্রতিফলিত হচ্ছে।

শিবচরে অনৈতিক কাজের অভিযোগে পদ হারানো সাবেক জামায়াত নেতার বাড়ি ভাঙচুর, বিক্ষোভ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিবচরে অনৈতিক কাজের অভিযোগে পদ হারানো সাবেক জামায়াত নেতার বাড়ি ভাঙচুর, বিক্ষোভ

মাদারীপুরের শিবচরে জামায়াত থেকে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতার বসতঘর ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। রোববার সকালে উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের পশ্চিম চরকামারকান্দি গ্রামে

মাদারীপুরের শিবচরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দল থেকে অব্যাহতি পাওয়া সাবেক জামায়াত নেতা তাইজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছেন বিক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ রোববার সকালে উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের পশ্চিম চরকামারকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানান গ্রামবাসী।

নিলখী ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমির তাইজুল ইসলাম এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত কবিরাজি চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, কবিরাজি চিকিৎসার অজুহাতে নারীদের নিজ ঘরে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করতেন তিনি। গত ২৫ অক্টোবর স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে হাতেনাতে আটক করেন। পরদিন ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, পানির সঙ্গে কিছু মিশিয়ে অচেতন করে তাইজুল তাঁর ওপর নির্যাতন চালাতেন। বাধা দিতে গেলে স্বামী-সন্তানের ক্ষতি করার হুমকি দিতেন এবং জিন-ভূতের ভয় দেখিয়েও অনৈতিক কাজ করতেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর গত ২৭ অক্টোবর শিবচর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাইজুল ইসলামকে নিলখী ইউনিয়ন শাখার যাবতীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে অব্যাহতি দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক বিধান অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তাইজুল দাবি করেন, ভিডিওতে দৃশ্যমান নারী তাঁর স্ত্রী। এ ব্যাপারে জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, সকালে তাইজুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিলেন বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে কিছু ব্যক্তি তাঁর বসতঘরে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। উপজেলা জামায়াতের আমির ছরোয়ার হোসাইন মৃধা বলেন, তাইজুল ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা ছিলেন এবং তাঁকে সব সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় একটি মব তাঁর বসতঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে, যা আইনত অপরাধ। দল এ ধরনের সহিংসতাকে সমর্থন করে না এবং আইনের মাধ্যমে এর সঠিক বিচার প্রত্যাশা করছে।