খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

খেলা ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজ হারের পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া দল। কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত লিড পাওয়ার পরও জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হয় সফরকারী দল। স্বাগতিকদের বিপক্ষে এই শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকেই ক্রিকেট মহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। বিশেষ করে অজি ব্যাটারদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন পারফরম্যান্স মেনে নিতে পারছেন না দেশের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। প্যাট কামিন্সের দলের এই হতাশাজনক ফলাফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সফল ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারও।

ম্যাচটিতে জয়ের জন্য ২৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ানরা। এর ফলে ১৭৬ রানের বড় জয় নিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডেভিড ওয়ার্নার দলের এমন ব্যাটিং বিপর্যয়ের কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে জয় ছিনিয়ে আনার মতো ন্যূনতম লড়াইয়ের মানসিকতাও দেখাতে পারেনি অজি ব্যাটাররা। দলের এমন আত্মসমর্পণমূলক হারকে তিনি লজ্জাজনক ও অস্ট্রেলীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন।

ওয়ার্নার আরও উল্লেখ করেন যে, পুরো সিরিজ জুড়েই ব্যাটাররা তাদের বাজে পারফরম্যান্স দিয়ে বোলারদের চরম হতাশ করেছেন। প্রথম টেস্টে ম্যাট রেনশ কিছুটা লড়াইয়ের মানসিকতা প্রদর্শন করলেও সামগ্রিক ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে কাগিসো রাবাদার বলে রেনশের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই সাবেক ওপেনার। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের সামনে অজিদের এই আত্মসমর্পণের পেছনে কৌশলগত ঘাটতিও দায়ী বলে মনে করেন তিনি। স্বাগতিকদের পক্ষে সাইমন হারমার ও কাগিসো রাবাদার দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা।

ম্যাচের এক পর্যায়ে ক্যামেরন গ্রিন ও নাথান লায়ন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা জয় এনে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না। গ্রিনের ভুল কলের কারণে জশ ইংলিস রানআউট হয়ে ফিরে গেলে দলের পরাজয় ত্বরান্বিত হয়। গ্রিনের ওই ভুল সিদ্ধান্তটির কড়া সমালোচনা করেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথও। এই জয়ের সুবাদে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, আর অস্ট্রেলিয়া নেমে গেছে তিন নম্বরে। সিরিজ হারের এই ক্ষত কাটিয়ে উঠতে অজিদের কৌশলগত জায়গায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

advertisement
advertisement

তিনদিনের মুদ্রা প্রদর্শনী: প্রাচীন লিডিয়া থেকে বাংলাদেশ, মুদ্রায় ধরা বিশ্ব ইতিহাস

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তিনদিনের মুদ্রা প্রদর্শনী: প্রাচীন লিডিয়া থেকে বাংলাদেশ, মুদ্রায় ধরা বিশ্ব ইতিহাস

তিনদিনের মুদ্রা প্রদর্শনী: প্রাচীন লিডিয়া থেকে বাংলাদেশ, মুদ্রায় ধরা বিশ্ব ইতিহাস

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে তিন দিনব্যাপী বর্ণিল মুদ্রা প্রদর্শনী। বাংলাদেশ নিউমিসম্যাটিক কালেক্টরস সোসাইটির আয়োজনে এটি ছিল সংগঠনটির ষষ্ঠ আসর। প্রাচীন লিডিয়ার আমল থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় পর্যন্ত বিস্তৃত ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং নকশার বৈচিত্র্য এই প্রদর্শনীর মূল আকর্ষণ ছিল। প্রদর্শনীটি দেখতে মুদ্রা সংগ্রাহক ছাড়াও ইতিহাসপ্রেমী নানা বয়সী মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এই প্রদর্শনীতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৪৩ জন মুদ্রা সংগ্রাহক অংশ নেন। তাদের ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে প্রায় ৬১টি ভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সংগ্রহ এখানে তুলে ধরা হয়। প্রাচীন সভ্যতার মোহর থেকে শুরু করে আধুনিক কাগজের নোট—সবকিছুতেই যেন মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার রূপান্তর মূর্ত হয়ে উঠেছিল। প্রতিটি সংগ্রহের পেছনে লুকিয়ে থাকা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট দর্শনার্থীদের দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে।

প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া প্রতিটি মুদ্রাই যেন একেকটি নীরব সাক্ষী হিসেবে অতীতের গল্প বলে গেছে। লিডিয়ার প্রাচীন মুদ্রা থেকে শুরু করে মুঘল আমল, সুলতানি যুগ এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের মুদ্রার বৈচিত্র্য গবেষকদের জন্য ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বিশেষ করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মুদ্রা ও নোটগুলোর সমাহার নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের অর্থনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পুরোনো এসব স্মারক দেখে দর্শনার্থীরা মুদ্রার নকশা এবং ধাতুর ব্যবহারে সময়ের পরিবর্তন খুব কাছ থেকে অবলোকন করার সুযোগ পেয়েছেন।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের প্রদর্শনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে মুদ্রা সংগ্রহ বা নিউমিসম্যাটিকসের প্রতি আগ্রহ বহুগুণ বেড়ে যাবে। শুধু শখ নয়, বরং মুদ্রা যে কোনো জাতির ইতিহাস ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান দলিল, তা এই আয়োজনের মাধ্যমে আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী শেষ হওয়ার পরও এর রেশ বহু দিন সংগ্রাহক ও ইতিহাসপ্রেমীদের মনে থেকে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এইচএসসিতে পাসের হার শূন্য বা কম থাকা প্রতিষ্ঠান নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে পাসের হার শূন্য বা কম থাকা প্রতিষ্ঠান নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

এইচএসসিতে পাসের হার শূন্য বা কম থাকা প্রতিষ্ঠান নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

শিক্ষা ডেস্ক: উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় যে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক কিংবা কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেগুলোকে দ্রুত জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তার মাধ্যমে এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। মূলত দেশের সামগ্রিক শিক্ষা খাতের মানোন্নয়ন এবং পিছিয়ে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর তদারকি জোরদার করার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ ধরনের ফলাফল বিপর্যয়কারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যবস্থা ও পাঠদান প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় তদারকি ও শাস্তিমূলক বা সংশোধনীমূলক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। এর আগের বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাসের হারের প্রতিষ্ঠান বেড়েছে একানব্বইটি। অন্যদিকে, এই পরীক্ষায় শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ১৩৯টি, যা শিক্ষাব্যবস্থার বৈষম্য ও মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।

এবারের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল বলে জানা গেছে। এর মধ্যে সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে পেরেছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী, যার ফলে সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র বায়ান্ন দশমিক এক দুই শতাংশ। তবে পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৪০ হাজার ৮৪ জন। এই সামগ্রিক ফলাফলের প্রেক্ষাপটে দুর্বল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ঝলমলে চুল ও পরিচ্ছন্ন স্ক্যাল্পের জন্য চুল ধোওয়ার কোরিয়ান রহস্য

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঝলমলে চুল ও পরিচ্ছন্ন স্ক্যাল্পের জন্য চুল ধোওয়ার কোরিয়ান রহস্য

ঝলমলে চুল ও পরিচ্ছন্ন স্ক্যাল্পের জন্য চুল ধোওয়ার কোরিয়ান রহস্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দৈনন্দিন রূপচর্চায় মুখের ত্বকের প্রতি যতটা যত্নশীল হওয়া যায়, মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পের ক্ষেত্রে অনেক সময় ঠিক ততটা মনোযোগ দেওয়া হয় না। অথচ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত কোরিয়ান রূপচর্চা বা কে-বিউটি দর্শনের মূল কথাই হলো সুন্দর ও ঘন চুলের আসল রহস্য লুকিয়ে আছে একটি স্বাস্থ্যকর স্ক্যাল্পের ভেতরে। কোরিয়ান নারীদের মতে মাথার ত্বক হলো মুখের ত্বকেরই একটি বর্ধিত অংশ, যার নিজস্ব সুরক্ষাকবচ বা প্রোটিন ব্যারিয়ার রয়েছে। তাই স্ক্যাল্পের সঠিক স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার ওপরই সরাসরি নির্ভর করে চুলের আসল উজ্জ্বলতা ও মজবুতি।

কোরিয়ান পদ্ধতিতে কেবল চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করা বা কন্ডিশনার লাগানোর মাঝেই চুল ধোয়া সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এতে স্ক্যাল্পের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়। পরিবেশের নানা দূষণ, ধুলাবালি এবং অতিরিক্ত ঘামের কারণে মাথার ত্বকে যে ময়লা জমে, তা নিয়মিত পরিষ্কার না করলে চুলের ফলিকল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই কোরিয়ান কৌশলে স্ক্যাল্পের অতিরিক্ত তেল ও শুষ্কতা দূর করে এর আর্দ্রতা বজায় রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।

সাধারণ নিয়মের বাইরে কোরিয়ান রুটিনে শ্যাম্পু করার পর এক্সফোলিয়েটর বা বিশেষ স্ক্যাল্প মাস্ক ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। শ্যাম্পু দিয়ে প্রাথমিক ময়লা পরিষ্কার করার পর ভালো মানের এক্সফোলিয়েটর বা এনজাইম পিল ব্যবহার করলে তা গভীর থেকে মৃত কোষ ও জমে থাকা কেমিক্যালের অবশিষ্টাংশ পুরোপুরি দূর করে। এর ফলে চুলের গোড়া চাঙ্গা হয় এবং চুল চিটচিটে না হয়ে বেশ ভলিউমিনাস বা প্রাণবন্ত দেখায়।

চুল পরিষ্কারের ক্ষেত্রে কোরিয়ানরা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলেন যেমন অতিরিক্ত গরম পানি স্ক্যাল্পের ক্ষতি করতে পারে বিধায় তারা সবসময় ইষদুষ্ণ পানি ব্যবহার করেন। এ ছাড়া শ্যাম্পু করার সময় মাথা নিচের দিকে ঝুঁকিয়ে চুল ধোয়া তাদের আরেকটি চমৎকার কৌশল, যার ফলে মাথার পেছনের কঠিন অংশগুলোতেও সহজে শ্যাম্পু পৌঁছে যায়। চুল ধোয়ার সময় কখনো নখ ব্যবহার করা হয় না, বরং আঙুলের নরম ডগা দিয়ে বা সিলিকন স্ক্যাল্প ব্রাশ দিয়ে বৃত্তাকারে আলতোভাবে ম্যাসাজ করা হয়, যা রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে।

চুলকে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে কোরিয়ানরা সময়ভিত্তিক প্রসাধনসামগ্রী ব্যবহার করে থাকেন এবং সকালে বা রাতে চুল ধোয়ার ওপর ভিত্তি করে রুটিন সাজান। এ ছাড়া বাতাসে থাকা দুর্গন্ধ দূর করতে এবং সারা দিন চুল সতেজ রাখতে স্ক্যাল্প টনিক বা হেয়ার পারফিউমের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। কোরিয়ানদের এই অনন্য পদ্ধতি অনুসরণ করে চুলের সাধারণ অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলে যেকোনো চুল হয়ে উঠতে পারে আরও আকর্ষণীয় ও সতেজ।