খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৩৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

জাতীয় ডেস্ক: দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে অনেকেই হয়তো দেশের ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার খবর তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পান না। পাঠকের এই কথা মাথায় রেখেই ছুটির দিন বা সপ্তাহের অন্যান্য সময়ে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলো একনজরে তুলে ধরা হয়। সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যভাণ্ডার থেকে বেছে নেওয়া হয় সেই সমস্ত প্রতিবেদন, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।

গত শনিবার দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। অনেক পাঠক কাজের চাপে বা অন্য কোনো কারণে এসব তথ্য হয়তো দেখতে পারেননি। তাই দিনের শুরুতেই এই প্রতিবেদনগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিলে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া সম্ভব।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ধরনের সারসংকলন পাঠকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কারণ বর্তমানের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে চারপাশের সঠিক তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই নির্বাচিত সংবাদগুলো বেশ কাজের হতে পারে।

আপনি যদি গতকালের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, তবে প্রাতঃভ্রমণ বা সকালের চা পানের ফাঁকে এই প্রতিবেদনগুলো পড়ে নিতে পারেন। এর ফলে আপনি দেশের চলমান পরিস্থিতি ও বাইরের বিশ্বের সমসাময়িক ধারা সম্পর্কে সহজেই অবগত থাকতে পারবেন।

advertisement
advertisement

মন্ত্রীর আগ্রহে নেওয়া ৩৬৭ কোটি টাকার সাইলো প্রকল্প বাতিল, ১৫ একর জমিতে এখন কী হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মন্ত্রীর আগ্রহে নেওয়া ৩৬৭ কোটি টাকার সাইলো প্রকল্প বাতিল, ১৫ একর জমিতে এখন কী হবে

মন্ত্রীর আগ্রহে নেওয়া ৩৬৭ কোটি টাকার সাইলো প্রকল্প বাতিল, ১৫ একর জমিতে এখন কী হবে

অর্থনীতি ডেস্ক: খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে এর আগে নওগাঁয় একটি আধুনিক স্টিল সাইলো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এই মেগা প্রকল্পের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ৩৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং প্রায় ১৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি সরকারের উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনার পর এই ব্যয়বহুল প্রকল্পটির বাস্তবায়ন থেকে সরে আসার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নতুন নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে প্রকল্পটি পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।

প্রকল্পটি বাতিলের ফলে এই বিশাল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হলেও অধিগ্রহণকৃত জমির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পূর্বে অধিগ্রহণ করা এই ১৫ একর জমিতে একটি নতুন সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো বা সিএসডি নির্মাণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও বিতরণের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, বরং নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ সঠিক উপায়ে ব্যবহার করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

মূলত দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সার্বিক ব্যয় সংকোচন নীতির অংশ হিসেবে এই বড় ধরনের প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন করে স্টিল সাইলো নির্মাণের চেয়ে বিদ্যমান খাদ্য সংরক্ষণাগারগুলোর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ করা বেশি যুক্তিযুক্ত। সেই ভাবনা থেকেই নওগাঁর এই নির্দিষ্ট প্রকল্পটি পুনর্বিবেচনা করে তা বাদ দেওয়ার এই ঘোষণা আসে।

এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন নির্ধারিত জমিতে সিএসডি নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। দ্রুতই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা সম্পন্ন হবে এবং নতুন এই প্রকল্পের নকশা ও প্রাক্কলন তৈরির কাজ শুরু হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে এলাকার খাদ্য ব্যবস্থাপনা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে ফের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ, বিজিবি মোতায়েন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে ফের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ, বিজিবি মোতায়েন

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে ফের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ, বিজিবি মোতায়েন

জাতীয় ডেস্ক: পোশাক শিল্পের শ্রমিকেরা তাদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি বাড়িয়ে ত্রিশ হাজার টাকা করার দাবিতে ফের আন্দোলনে নেমেছেন। এই যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন। আন্দোলনের মুখে মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকার বেশ কিছু কারখানা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। হঠাৎ সৃষ্ট এই মহাসড়ক অবরোধের ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়ে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই বেতন বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়ে আসছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পরও কাঙ্ক্ষিত সুফল না পাওয়ায় শ্রমিকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানা যায়।

সকাল থেকেই গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকার বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা দলে দলে কর্মস্থল ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। প্রাথমিক অবস্থায় কারখানায় যোগ দিলেও মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার শ্রমিক একত্র হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নেন। তাঁদের এই আকস্মিক আন্দোলনের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কে সমস্ত প্রকার যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে স্থবির হয়ে পড়ে। শ্রমিকদের এই উত্তাল বিক্ষোভের মুখে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ আশপাশের আট থেকে দশটি পোশাক কারখানায় সাময়িক ছুটি ঘোষণা করে। শিল্পাঞ্চলে এই ধরণের হঠাৎ বিশৃঙ্খলার ফলে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং ব্যবসায়িক ক্ষতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উত্তপ্ত এই পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, কোনাবাড়ী, মৌচাক, নাওজোড় ও ভোগড়া বাইপাস এলাকার মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিজিবি টহল জোরদার করেছে। গত কিছুদিন ধরেই গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল এলাকায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষ ও বিক্ষোভ চলে আসছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তবুও মাঠপর্যায়ে শ্রমিকদের এই ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রশমিত হচ্ছে না।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আগের দিন দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত শ্রমিকেরা দীর্ঘ সময় ধরে মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছিলেন। রাতের দিকে তাঁরা মহাসড়ক থেকে সরে গেলেও পরের দিন সকাল থেকে আবারও নতুন করে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানিয়েছেন যে শ্রমিকেরা সকাল থেকে মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রেখেছেন এবং এর ফলে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে শ্রমিকদের শান্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মালিকপক্ষ শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।

এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে

এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে বিগত দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এবারই শিক্ষার এই স্তরে সবচেয়ে বড় ধরনের অবনতি ঘটেছে। সারা দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিলেও পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় নাটকীয় পতন লক্ষ করা গেছে। শিক্ষা বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা এই ফলাফল নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং এর পেছনে নানামুখী কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা জানা গেছে। এর মধ্যে সব বিষয়ে কৃতকার্য হয়ে পাস করতে পেরেছেন মাত্র ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই পাবলিক পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন, যা বিগত কয়েক বছরের ধারাবাহিক অগ্রগতির গতিরোধ করেছে এবং শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের ফাটল ধরিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফলাফলের এই বড় অবনতির পেছনে মূলত গত কয়েক বছরে পরিবর্তিত মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং ক্লাসরুমে পড়াশোনার ঘাটতিকে দায়ী করা হচ্ছে। বিগত সময়ে করোনা মহামারি এবং বিভিন্ন দুর্যোগের কারণে পড়াশোনায় যে দীর্ঘস্থায়ী বিরতি ও ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তার সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবারের পরীক্ষার ফলাফলে। তাছাড়া খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি এবং আগের মতো বিশেষ ছাড় বা শর্ট সিলেবাসের পূর্ণ সুবিধা না থাকায় শিক্ষার্থীরা কাক্সিক্ষত ফলাফল অর্জন করতে পারেননি।

শিক্ষাবিদেরা মনে করছেন, কেবল শিক্ষার্থীদের দোষ দিয়ে পার পাওয়ার সুযোগ নেই, বরং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান পদ্ধতি এবং শিক্ষকদের ভূমিকারও আত্মসমালোচনা প্রয়োজন। নিয়মিত ক্লাস না হওয়া, কোচিং বা নোটবুকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে শিক্ষার্থীদের মান কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছাতে পারেনি। ভবিষ্যতে পরীক্ষার ফলাফল উন্নত করতে হলে শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত ত্রুটি দূর করার পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়বদ্ধতা বাড়াতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।