খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী এই বোর্ডে পাসের হার মাত্র চুয়াল্লিশ দশমিক আট চার শতাংশ যা সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছরের তুলনায় এই অঞ্চলে পাসের হার কমেছে প্রায় আঠারো শতাংশ এবং সেই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা। বিগত বছরগুলোতে তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকা এই শিক্ষাবোর্ডটির এমন ধস নামায় শিক্ষক ও অভিভাবক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

বোর্ডের শোচনীয় এই ফলাফলের প্রধান কারণ হিসেবে ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের চরম ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। বোর্ডের তথ্যমতে ইংরেজি বিষয়ে পাসের হার মাত্র তেপান্ন শতাংশের কাছাকাছি অবস্থান করায় তার সামগ্রিক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পুরো ফলাফল ব্যবস্থার ওপর। বোর্ড কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে এ বছরের খাতা মূল্যায়ন ও ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

অন্যদিকে শিক্ষাবিদ ও কলেজ অধ্যক্ষদের মতে এই বিপর্যয়ের পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ জড়িত রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম হলো ছাত্র আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেকে দীর্ঘসময় দূরে থাকা। তাঁরা জানান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত ছিল এবং অভিভাবকেরাও তাদের সন্তানদের পড়াশোনার বিষয়টি যথাযথভাবে তদারকি করেননি। এর ফলে ইংরেজি উচ্চতর গণিত এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মতো কঠিন বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষকদের এমন মন্তব্যের সঙ্গে অবশ্য পুরোপুরি একমত পোষণ করেননি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বরং তাঁরা এর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্বহীনতা ও পাঠদানের ঘাটতিকেও সমানভাবে দায়ী করেছেন। অভিভাবক মহলের মতে শিক্ষার্থীদের একচেটিয়াভাবে দোষ না দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোরও নিজেদের দুর্বলতা খতিয়ে দেখা উচিত। সব মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ এবং নিয়মিত ক্লাসের অনুপস্থিতির মতো নানা জটিলতার কারণে বরিশাল বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার এই বিপর্যয় দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষাব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

advertisement
advertisement

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ জনের চাকরি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২ নভেম্বর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ জনের চাকরি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২ নভেম্বর

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ জনের চাকরি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২ নভেম্বর

চাকরি ডেস্ক: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লি. বা এপিএসসিএল সম্প্রতি একটি বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগে মোট ১৫টি শূন্য পদে সর্বমোট ৯০ জন কর্মীকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকৌশলী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্যাটাগরির দক্ষ জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, সহকারী প্রকৌশলী, সহকারী ব্যবস্থাপক, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট, ফায়ারম্যান, নিরাপত্তা প্রহরী এবং স্টোর হেলপার পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। পদ ভেদে প্রার্থীদের প্রকৌশলে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, বিকম, ডিপ্লোমা অথবা এসএসসি পাস হতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন পদের জন্য ৫২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৪ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত আকর্ষণীয় মূল বেতন নির্ধারিত রয়েছে।

আবেদনের জন্য সাধারণ প্রার্থীদের বয়স আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩২ বছর হতে হবে। তবে বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য বয়সসীমা ৪০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য এবং নিরাপত্তা প্রহরী পদের ক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বয়স সর্বোচ্চ ৪২ বছর পর্যন্ত শিথিল করা হবে। ফায়ারম্যান ও নিরাপত্তা প্রহরী পদের জন্য নির্দিষ্ট শারীরিক মাপ এবং সুনির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

মূল বেতনের পাশাপাশি নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বিধিমালা অনুযায়ী আবাসন সুবিধা, দুটি উৎসব ভাতা, নববর্ষ ভাতা, চিকিৎসা ভাতাসহ নানা ধরনের আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। পদ ভেদে আবেদন ফি টেলিটক প্রিপেইড নম্বরের মাধ্যমে ৫৬ টাকা থেকে শুরু করে ২২৩ টাকা পর্যন্ত জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট লিংকের মাধ্যমে আগামী ২ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং তা ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।

সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয় ও এফডিআরে কোথায় লাভ বেশি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয় ও এফডিআরে কোথায় লাভ বেশি

সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয় ও এফডিআরে কোথায় লাভ বেশি

অর্থনীতি ডেস্ক: হাতে কিছু জমানো টাকা থাকলে তা কোথায় বিনিয়োগ করা উচিত, তা নিয়ে প্রায়শই দ্বিধায় পড়েন সাধারণ মানুষ। বর্তমান সময়ে মূল্যস্ফীতির কারণে সঞ্চয়ের প্রকৃত মূল্য কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বড় ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যবসা সম্প্রসারণ বা কারখানা স্থাপনের সুযোগ থাকলেও চাকরিজীবী ও ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীদের জন্য সীমিত অর্থ নিরাপদে রাখা এবং তা থেকে ভালো আয় পাওয়া বড় একটি চ্যালেঞ্জ।

বিনিয়োগের প্রচলিত মাধ্যমগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাংকের স্থায়ী আমানত বা এফডিআর, সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয়, শেয়ারবাজার এবং জমি কেনা। প্রতিটি মাধ্যমের যেমন নিজস্ব সুবিধা রয়েছে, তেমনি কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। তাই যেকোনো জায়গায় টাকা রাখার আগে নিজের আর্থিক সামর্থ্য, ভবিষ্যতের লক্ষ্য এবং ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

ঝুঁকিহীন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্র এবং ডাকঘর সঞ্চয় সাধারণ মানুষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় হয়ে আছে। বর্তমানে বিভিন্ন মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে ১১ শতাংশের বেশি হারে মুনাফা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে এতে নির্দিষ্ট বিনিয়োগের সীমা নির্ধারিত থাকে। অন্যদিকে ডাকঘর সঞ্চয়ের তিন বছর মেয়াদি হিসাবেও আকর্ষণীয় হারে মুনাফা পাওয়া যায়, যা নির্দিষ্ট অঙ্কের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।

ব্যাংকের স্থায়ী আমানত বা এফডিআরের ক্ষেত্রে ব্যাংকভেদে সুদের হারে ভিন্নতা দেখা যায় এবং অনেক সময় মেয়াদ পূর্তির আগে ঋণ নেওয়ার সুবিধাও মেলে। তবে অতিরিক্ত সুদের লোভে আর্থিকভাবে দুর্বল কোনো ব্যাংকে টাকা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি, শেয়ারবাজারে যেমন বেশি মুনাফার সুযোগ রয়েছে, তেমনি লোকসানের বড় ঝুঁকিও রয়েছে, যা কেবল দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্যই উপযোগী।

সব জমানো টাকা এক খাতে বিনিয়োগ না করে তা বিভিন্ন মাধ্যমে ভাগ করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। জরুরি প্রয়োজনের অর্থ সহজে তোলা যায় এমন স্থানে রেখে, বাকি অর্থ দীর্ঘমেয়াদি ও লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। এছাড়া বিনিয়োগের আগে কর, ফি, মেয়াদপূর্ব উত্তোলনের নিয়ম এবং অর্থের নিরাপত্তা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম

এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন। বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়া বা অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এই আবেদন করতে পারবেন। গত ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

বোর্ড করণিক নির্দেশনা অনুযায়ী, ফল পুনর্নিরীক্ষণের পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজেদের রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে এবং যোগাযোগের জন্য একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে যাতে পরবর্তী সময়ে ফলাফল সংক্রান্ত এসএমএস পাঠানো সম্ভব হয়।

অনলাইন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে শিক্ষার্থীদের সামনে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে এবং সেখান থেকে কাঙ্ক্ষিত বিষয় বা পত্রগুলো নির্বাচন করতে হবে। প্রতিটি পত্রের পুনর্নিরীক্ষণের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা এবং যেসব বিষয়ে দুটি পত্র রয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে। বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় কিংবা সোনালী সেবার মতো ডিজিটাল মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে সহজেই এই ফি পরিশোধ করা যাবে।

ফি পরিশোধের পর পোর্টালে প্রবেশ করে চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দিতে হবে এবং একবার ফি জমা হয়ে গেলে তা আর কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া বা বাতিল করা যাবে না। তবে ফি প্রদানের আগে প্রয়োজন হলে নির্বাচিত বিষয়গুলো পরিবর্তন বা পরিমার্জন করার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা যথাযথ নিয়ম মেনে এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করলে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো তাদের খাতা পুনরায় যাচাই করে ফলাফল প্রকাশ করবে।