খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ভূমির লাগামহীন বাণিজ্যিকীকরণে বসবাসের যোগ্যতা হারাচ্ছে রাজধানী: নগর বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভূমির লাগামহীন বাণিজ্যিকীকরণে বসবাসের যোগ্যতা হারাচ্ছে রাজধানী: নগর বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ

দ্য ডেইলি স্টারের ‘মহানগর ঢাকা: ইতিহাস ও রূপান্তর’ শীর্ষক ইতিহাস আড্ডার ৩৫তম পর্বে আলোচকেরা। রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

অব্যবস্থাপনাপূর্ণ নগরায়ণ, করপোরেট মুনাফার লোভ এবং ভূমির মাত্রাতিরিক্ত বাণিজ্যিক ব্যবহারের কারণে ঢাকা দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে বলে সতর্ক করেছেন নগর–পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতিরা। তাঁদের অভিমত, জনকল্যাণকে গুরুত্ব না দিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং যথাযথ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যর্থতায় নগরীর পরিবেশ, জলাধার ও সামগ্রিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বিপর্যস্ত হচ্ছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে পত্রিকাটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘মহানগর ঢাকা: ইতিহাস ও রূপান্তর’ শীর্ষক ইতিহাস আড্ডার ৩৫তম পর্বে বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন। পর্বটি পরিচালনা করেন দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিক ইমরান মাহফুজ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক শায়ের গফুর মন্তব্য করেন, জমির অনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিকীকরণের কারণেই ঢাকা বাসযোগ্যতা হারিয়েছে, যা কর্তৃপক্ষের পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় প্রসার পেয়েছে। এই বাণিজ্যিকীকরণের রাশ না টেনে বাসযোগ্য নগর গড়ার কথা বলা স্পষ্টতই পরস্পরবিরোধী। একই সুর তুলে ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও নগর–পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, বিগত তিন দশকে ঢাকাকে স্রেফ একটি বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত করা হয়েছে। নগর–পরিকল্পনা থেকে শুরু করে ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ—সবখানেই জনস্বার্থকে পাশ কাটিয়ে করপোরেট মুনাফাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

পরিবহন ব্যবস্থার অসঙ্গতি তুলে ধরে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) উপপরিবহন পরিকল্পনাবিদ ধ্রুব আলম জানান, দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন একটি টেকসই কাঠামোর বদলে বিচ্ছিন্ন ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে এগিয়েছে। এমনকি জাতীয় নগর পরিবহন নীতিমালায় পথচারীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও পরিবহন পরিকল্পনার মোট বাজেটের ১ শতাংশেরও কম অর্থ তাঁদের সুবিধার জন্য খরচ করা হয়।

advertisement
advertisement

মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি ফখরুলের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি ফখরুলের

মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি ফখরুলের

রাজনীতি ডেস্ক: মাদক, সন্ত্রাস, দখলবাজি এবং চাঁদাবাজমুক্ত একটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম। সম্প্রতি যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই জোরালো আহ্বান জানান। কোম্পানীগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বসুরহাট পৌরসভা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের ইতিবাচক ভূমিকা পালনের তাগিদ দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফখরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শীর্ষ নেতৃত্ব এদেশের মানুষের হৃদয়ের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থান করছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের সাধারণ মানুষ বিএনপিকে নিজেদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে বলেই অতীতে বড় রাজনৈতিক জয় এনে দিয়েছে। বর্তমান সরকার কোনো ধরনের অন্যায় ও রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না এবং দেশের স্বার্থে কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা দেন।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন এই সংসদ সদস্য। জাতীয় নির্বাচনের মতো একই রকম ঐক্য ও সংহতি বজায় রেখে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা এবং পৌরসভা নির্বাচনে যুবদলসহ দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। স্থানীয় পর্যায়ে দলের ভিত্তি আরও মজবুত করতে ঘরে ঘরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। দলের এই নীতি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আলোচনা সভায় জেলা যুবদলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বহু নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। সভায় বক্তারা বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সোচ্চার ছিল এবং ভবিষ্যতেও জনগণের সেবা প্রদানে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় যুবদলের শীর্ষ নেতা পুরো আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং আগামী দিনে দলের যেকোনো আন্দোলন সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ গ্রহণ করেন।

যুবসমাজ জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুবসমাজ জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী

যুবসমাজ জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন যে যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও সামগ্রিক অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, নানা জাতীয় সংকট উত্তরণ এবং দেশের চলমান উন্নয়ন যাত্রায় তরুণ প্রজন্মের অবদান সবসময়ই অনস্বীকার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন। জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই কথা বলেন এবং দেশের সব তরুণ-তরুণীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

বাণীতে সরকারপ্রধান স্মরণ করেন যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যুবসমাজের বিপুল সম্ভাবনা উপলব্ধি করে তাদের সঠিক পথে সংগঠিত করার ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁরই নির্দেশনায় ১৯৭৮ সালে প্রথম যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যা পরবর্তীতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে রূপ নেয়। এছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে যুব উন্নয়ন কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি জানান যে ১৯৯১ সালে যুবসমাজের কর্মসংস্থান বাড়াতে এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের স্বাবলম্বী করতে সব জেলায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সময়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রায় ৮০ লাখ তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ প্রশিক্ষণার্থী আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য বদলেছেন এবং অনেকেই এখন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আয় করছেন।

তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কয়েক হাজার কোটি টাকার যুবঋণ বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন। সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রকল্প চালু করেছে যার মাধ্যমে তরুণরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।

স্মার্ট কৃষি, রপ্তানিমুখী প্যাকেজিং, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিদেশি ভাষা শিক্ষার মতো সম্ভাবনাময় খাতে নতুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সরকার ইতিমধ্যে পাঁচশ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে। এবারের যুব দিবসের প্রতিপাদ্যের সাথে মিল রেখে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে যুবসমাজ আরও জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত, চূড়ান্ত পর্ব ২৮ নভেম্বর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত, চূড়ান্ত পর্ব ২৮ নভেম্বর

বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত, চূড়ান্ত পর্ব ২৮ নভেম্বর

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের উচ্চমাধ্যমিক এবং এ-লেভেল পর্যায়ের তরুণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সম্প্রতি বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে এবং তাদের মেধা বিকাশের লক্ষ্যে এই বিশেষ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, আঞ্চলিক পর্বের প্রতিটি কেন্দ্র থেকে সেরা ১০ জন করে মেধাবী শিক্ষার্থীকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এসব কৃতি শিক্ষার্থীকে অলিম্পিয়াডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ ও পদক প্রদান করা হয়। আঞ্চলিক পর্যায়ে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার তারা চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আঞ্চলিক পর্বের সফল সমাপ্তির পর এখন সবার নজর আগামী ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত পর্বের দিকে। ওই দিন দেশের সেরা রসায়নবিদদের খুঁজে বের করতে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হবে। আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী ও নির্বাচিত প্রতিযোগীরা এই জাতীয় বা চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করার সুযোগ পাবে। বিজ্ঞানভিত্তিক মনন তৈরিতে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। চূড়ান্ত পর্বকে কেন্দ্র করে বর্তমানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও আয়োজকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।