খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

৯৯.০৭ শতাংশ পাস, সাফল্যের ধারায় সামসুল হক খান কলেজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৯৯.০৭ শতাংশ পাস, সাফল্যের ধারায় সামসুল হক খান কলেজ

৯৯.০৭ শতাংশ পাস, সাফল্যের ধারায় সামসুল হক খান কলেজ

শিক্ষা ডেস্ক: রাজধানীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষায় আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে এই প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ছিল নিরানব্বই দশমিক শূন্য সাত শতাংশ যা দেশের সামগ্রিক শিক্ষাবোর্ডের ফলাফলের তুলনায় বেশ প্রশংসনীয়। তা ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ফলাফল জিপিএ-৫ অর্জন করে তাদের ধারাবাহিক সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছে। বরাবরের মতো এবারও সেরা ফলাফল অর্জন করায় কলেজ ক্যাম্পাসজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে আনন্দ উল্লাস দেখা গেছে।

শিক্ষার্থীদের এমন ঈর্ষণীয় সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে তাদের দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যবসায় এবং শিক্ষকদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা। কলেজের অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ পুরো শিক্ষাবর্ষজুড়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা বজায় রেখেছিলেন এবং নিয়মিত মক টেস্টের মাধ্যমে তাদের পরীক্ষার উপযোগী করে গড়ে তুলেছিলেন। পাশাপাশি অভিভাবকদের নিয়মিত তদারকি এবং সচেতনতামূলক সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে এবং পড়াশোনায় মনোযোগী হতে বিশেষভাবে সাহায্য করেছিল। সবার এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কৃতী শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন যে শিক্ষার্থীদের নিষ্ঠা, শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতাতেই এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জন সম্ভব হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। অন্যদিকে কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ফেরদৌস হোসেন রনি এই সাফল্যের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন যে পরিকল্পিত পাঠদান এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার কারণেই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবছর চমৎকার ফলাফল উপহার দিতে পারছে।

শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের ক্ষেত্রে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটিতে শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় জোর দেওয়া হয় না, বরং শিক্ষার্থীদের নৈতিক চরিত্র গঠন এবং সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমেও সমানভাবে উৎসাহ দেওয়া হয়। দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্যানেল এবং একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকার কারণে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এই ধারাবাহিক গুণগত শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানটি আগামী দিনেও দেশের শিক্ষাঙ্গনে নিজেদের শীর্ষস্থান ধরে রাখবে বলে সবাই আশাবাদী।

advertisement
advertisement

গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫

গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫

জাতীয় ডেস্ক: ছেলের উন্নত ভবিষ্যতের স্বপ্ন বুকে নিয়ে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা থেকে রাজধানীর ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন এক সংগ্রামী মা। স্বামীর সীমিত আয়ের সংসারে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি ছেলেকে পড়ালেখার সুযোগ করে দেওয়ার পণ করেছিলেন। রাজধানীর একটি ছোট সাবলেট বাসায় থেকে মা ও ছেলে জীবনের নানা সংগ্রাম মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে থাকেন। মায়ের এই অদম্য জেদ এবং সীমাহীন ত্যাগের মূল উদ্দেশ্যই ছিল একমাত্র সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করে তোলা।

পরিবারের এই কঠিন লড়াইয়ের কাঙ্ক্ষিত প্রতিদান মিলেছে সাম্প্রতিক প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলে। মর্যাদাপূর্ণ নটর ডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ফলাফল তথা জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন মোহাম্মদ জুবায়ের ইসলাম হামিদ। ফলাফল প্রকাশের পর এই আনন্দের মুহূর্তটি মা ও ছেলের বিগত দিনের সব কষ্ট ও না পাওয়ার বেদনাকে এক নিমিষেই মুছে দিয়েছে। সন্তানের এমন সাফল্যের পেছনে মায়ের নিরলস পরিশ্রম ও ধূপের মতো জ্বলে ওঠার গল্প এখন সবার মুখে মুখে।

শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই জুবায়ের অত্যন্ত মনোযোগী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার শিক্ষকরা। অর্থনৈতিক সংকট এবং রাজধানীর জটিল নাগরিক জীবন তাদের জন্য কখনোই সহজ ছিল না, কিন্তু কোনো বাধাই তাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। সাবলেট বাসার ছোট্ট একটি ঘরে আলো জ্বালিয়ে রাতদিন পড়াশোনা করতেন জুবায়ের, আর পাশে থেকে ছায়া হয়ে তাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে গেছেন তার মা। কষ্টের দিনগুলোতে মা কখনোই ছেলেকে বুঝতে দেননি পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা, বরং সবসময় পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

উচ্চমাধ্যমিকের এই দুর্দান্ত সাফল্যের পর জুবায়েরের চোখে এখন আরও বড় ও সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন। তিনি ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে একজন দক্ষ প্রকৌশলী হয়ে দেশের সেবা করতে চান এবং নিজের মায়ের সব কষ্টের ঋণ পরিশোধ করতে চান। তার এই অভাবনীয় সাফল্যে এলাকাবাসী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও তাকে এবং তার সংগ্রামশীল মাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সমাজের সাধারণ মানুষের কাছে এই মা-ছেলের জুটি এখন এক অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠেছে, যা প্রমাণ করে যে সততা ও কঠোর পরিশ্রম থাকলে সব প্রতিকূলতা জয় করা সম্ভব।

এবার আপনিও হতে পারেন ফ্যাশন হাউসের মডেল, পাবেন মাসিক বেতন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এবার আপনিও হতে পারেন ফ্যাশন হাউসের মডেল, পাবেন মাসিক বেতন

এবার আপনিও হতে পারেন ফ্যাশন হাউসের মডেল, পাবেন মাসিক বেতন

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দেশের জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড টুয়েলভ সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে নতুন মুখ খোঁজার উদ্দেশ্যে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রচলিত মডেলিংয়ের ধারার বাইরে গিয়ে বয়সের কড়াকড়ি, উচ্চতা, ওজন কিংবা শারীরিক গঠনের কোনো নির্দিষ্ট শর্ত ছাড়াই এবার যে কেউ মডেল হওয়ার সুযোগ পাবেন। আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের সহযোগিতায় পরিচালিত এই বিশেষ কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে ফেস অব টুয়েলভ। এর মাধ্যমে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন সম্ভাবনাময় ও সাধারণ ধাঁচের মুখ তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে টুয়েলভের চিফ অপারেটিং অফিসার মতিউর রহমান জানিয়েছেন যে তারা এমন ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাদের পোশাক ক্রেতাদের সামনে উপস্থাপন করতে চান, যাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ নিজেদের সহজে মেলাতে পারে। অর্থাৎ ক্রেতারা যেন পোশাকগুলো দেখে বুঝতে পারেন যে এগুলো শুধু নির্দিষ্ট কোনো শারীরিক মাপের মানুষের জন্য নয়, বরং যে কেউ তা স্বচ্ছন্দে পরতে পারবেন। নির্বাচিত প্রতিযোগীদের সঙ্গে ব্র্যান্ডটির পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদি দুই বছরের একটি এক্সক্লুসিভ চুক্তি সম্পন্ন করা হবে।

চুক্তির আওতায় নির্বাচিত মডেলরা টুয়েলভের বিভিন্ন প্রচারণামূলক ক্যাম্পেইন এবং পণ্যের ফটোশুটে নিয়মিত অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তারা প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্কের বেতন লাভ করবেন, যা মডেলিং পেশায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে। এ ছাড়া ব্র্যান্ডটির পক্ষ থেকে প্রতি মৌসুমে নির্বাচিত মডেলদের আকর্ষণীয় ফ্যাশনপণ্য উপহার দেওয়া হবে। এমনকি মডেলদের পরিবারের সদস্যরাও কেনাকাটায় বিশেষ ছাড়ের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের জন্য নির্বাচিত মুখগুলোর বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে যা পরিচালনা করবেন খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব আজরা মাহমুদ। তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে অংশগ্রহণকারীরা পেশাদার মডেলিং ও কনটেন্ট তৈরির ওপর কারিগরি জ্ঞান অর্জন করবেন। পাশাপাশি তাদের জন্য ফিটনেস ও গ্রুমিংয়ের সুব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত নিবন্ধন ফরম পূরণ করার মাধ্যমে খুব সহজেই এই অনন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।

সংবিধান না মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি গায়ের জোরের শামিল: রিজভী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সংবিধান না মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি গায়ের জোরের শামিল: রিজভী

সংবিধান না মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি গায়ের জোরের শামিল: রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: রাজনৈতিক অঙ্গনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশের বিদ্যমান সংবিধান লঙ্ঘন করে এই সনদ কার্যকর করার জোর প্রচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ। তাদের মতে, কোনো ধরনের জাতীয় ঐকমত্য বা আলোচনা ছাড়া একতরফাভাবে এমন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে।

এই বিষয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সম্প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, প্রস্তাবিত জুলাই সনদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধারার সঙ্গে বিএনপির পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের দ্বিমত বা আপত্তি রয়েছে। এই মতপার্থক্যগুলোকে পাশ কাটিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সংকট আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যেকোনো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সব অংশীজনের মতামতকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। আপত্তি থাকা বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ও গণতান্ত্রিক সমাধানে পৌঁছানো জরুরি। গায়ের জোরে কোনো কিছু বাস্তবায়ন করার মানসিকতা দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নিলে তা দীর্ঘমেয়াদে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে অর্থপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমেই কেবল একটি গ্রহণযোগ্য পথ বের করা সম্ভব বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণকারীরা।