খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এইচএসসি ও সমমান: ‎২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসি ও সমমান: ‎২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

এইচএসসি ও সমমান: ‎২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে একটি উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। এবারের পাবলিক পরীক্ষায় দেশের মোট ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। গত বছর শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০২টি। তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে একটিও পাস না করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক লাফে একানব্বইটি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ঠিক উল্টো চিত্রও রয়েছে কিছু প্রতিষ্ঠানে, যেখানকার সব পরীক্ষার্থী সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়। রাজধানী ঢাকার সচিবালয়ে অবস্থিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফলাফল প্রকাশের এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ওই অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তাব্যক্তিরাও এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর দেশের মোট এগারোটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। সারা দেশে মোট পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৯৭টি এবং সব মিলিয়ে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে সন্তোষজনক ফলাফলের পাশাপাশি শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও এবার কিছুটা ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। দেশের মাত্র ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থী সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন, যা সামগ্রিক ফলাফলের একটি ছোট অংশ মাত্র।

উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়েই এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হলেও তা শেষ হতে কিছু ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটেছিল। চলতি বছরের ২ জুলাই পরীক্ষা শুরু হয়ে ৮ আগস্ট লিখিত পর্ব শেষ হওয়ার কথা ছিল এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কিছু বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে স্থগিত হওয়া ওই পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হওয়ার পর ওই বোর্ডের লিখিত কার্যক্রম শেষ হয় গত ৯ সেপ্টেম্বর। বিভিন্ন প্রতিকূলতা পেরিয়ে প্রকাশিত এই ফলাফল নিয়ে এখন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলে নানা বিশ্লেষণ চলছে।

advertisement
advertisement

এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষাবোর্ডে পাসের হারে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার সারা দেশে গড় পাসের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। অথচ এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এই পাবলিক পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার প্রায় সাড়ে ছয় শতাংশেরও বেশি হ্রাস পাওয়ার ফলে শিক্ষা অঙ্গনে নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এবারের ফলাফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছাত্র এবং ছাত্রী উভয়ের ক্ষেত্রেই ফলাফলের এই নিম্নমুখী ধারা বজায় রয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদের ক্ষেত্রে পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে অর্ধেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই সীমিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ছাত্রীদের ক্ষেত্রেও পাসের হার গতবারের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে, যদিও তারা সার্বিক ফলাফলের দিক থেকে তুলনামূলক কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। বোর্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার ঘাটতির কারণে সামগ্রিক ফলাফলে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। করোনাকালীন শিক্ষাজীবনে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে কিছু দুর্বলতা রয়ে গেছে। তাছাড়া ইংরেজি ও অন্যান্য কঠিন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় সার্বিক পাসের হার এত নিচে নেমে এসেছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ শিক্ষকরা।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই ফলাফলের পর এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার সবচেয়ে বেশি কমেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি বা যাদের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক, তাদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। আগামী দিনে শিক্ষাদানের মান উন্নত করতে এবং পাসের হার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে।

এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা

এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা

শিক্ষা ডেস্ক: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা মাত্র এক মাসের ব্যবধানে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সারা দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম।

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে শুরু হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। গত দুই জুলাই শুরু হওয়া এই পরীক্ষা আট আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় নয় সেপ্টেম্বর। সারা দেশের দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে নয় হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর যৌথ ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে মার্কশিটসহ ফলাফল দেখতে ও ডাউনলোড করতে পারছেন। এ ছাড়া যেকোনো মোবাইল অপারেটরের নম্বর থেকে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এসএমএস পাঠিয়েও খুব সহজে ফল জেনে নেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো কেন্দ্র বা দপ্তর থেকে সরাসরি ফলাফল বা শিট বিতরণ করা হচ্ছে না, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে।

এদিকে প্রকাশিত ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী সন্তুষ্ট না হলে তাদের জন্য উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। আগামী এক নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে সাত নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষার আবেদন গ্রহণ করা হবে। এসংক্রান্ত বিস্তারিত নিয়মাবলি এবং ফি পরিশোধের পদ্ধতি ইতিমধ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুনর্নিরীক্ষণের পর ফল পরিবর্তিত হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

রাজনীতি ডেস্ক: ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে সম্প্রতি খুলনার অভিমুখে যে লংমার্চের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, তার উদ্বোধনী সমাবেশে অনুপস্থিত ছিল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপি। দলটির শীর্ষস্থানীয় বা সাধারণ নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির শুরুর অংশে অংশ নেননি, যা রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। উদ্বোধনী পর্বের এই অনুপস্থিতির কারণে জোটে কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়।

তবে উদ্বোধনী সমাবেশে দলীয় উপস্থিতি না থাকলেও পরবর্তীতে লংমার্চের মূল গাড়িবহরে এনসিপির চারজন শীর্ষস্থানীয় নেতা যুক্ত হন। জোটের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি এবং সংহতি বজায় রাখার অংশ হিসেবেই তারা এই গাড়িবহরে অংশ নেন বলে জানা গেছে। দলটির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এই চার নেতার উপস্থিতি কিছুটা হলেও জোটের মধ্যকার ঐক্য অক্ষুণ্ণ থাকার বার্তা দিয়েছে।

এদিকে লংমার্চের গাড়িবহরে দলের চার নেতার এই অংশগ্রহণকে স্রেফ একটি প্রতীকী পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে দলটির ঘনিষ্ট সূত্র। তাদের ভাষ্যমতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জোটের সার্বিক কার্যক্রমের প্রতি নৈতিক সমর্থন ও সংহতি প্রকাশের জন্যই এই সীমিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছিল। একে বড় কোনো সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন হিসেবে না দেখার অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।

উল্লেখ্য, ১১-দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চ কর্মসূচিটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত এই জোট সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দাবি নিয়ে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। তবে জোটে থাকা দলগুলোর মধ্যে এ ধরনের খণ্ডিত অংশগ্রহণ বা প্রতীকী উপস্থিতি ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।