খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মেসির স্মৃতিবিজড়িত মাঠে খেলবে না আর্জেন্টিনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেসির স্মৃতিবিজড়িত মাঠে খেলবে না আর্জেন্টিনা

মেসির স্মৃতিবিজড়িত মাঠে খেলবে না আর্জেন্টিনা

খেলা ডেস্ক: আর্জেন্টাইন ফুটবলে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য অধ্যায় শেষ হওয়ার পর এবার নতুন যুগে পা রাখতে যাচ্ছে কোচ লিওনেল স্কালোনির দল। গত কিছুদিন আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান এই মহাতারকা, যার ফলে দলটিকে এখন তাঁর অনুপস্থিতিতেই মাঠে নামতে হচ্ছে। আসছে মাসের ফিফা উইন্ডোতে দুটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের, যার প্রাথমিক সূচি ও প্রতিপক্ষ আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল। তবে এবার ভেন্যু নির্ধারণ নিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে, যার ফলে মেসির বিদায়ী ম্যাচের স্মৃতিচিহ্নিত মাঠে আর খেলা হচ্ছে না।

আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী মাসে স্কালোনির শিষ্যরা দুটি ভিন্ন ম্যাচে উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার মুখোমুখি হবে। এর মধ্যে ১৩ নভেম্বর বুয়েনস এইরেসের ঐতিহ্যবাহী লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে উরুগুয়ের বিপক্ষে লড়বে আলবিসেলেস্তেরা। মূলত এই ম্যাচটি মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তন করে লা বোম্বোনেরাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। উরুগুয়ে ম্যাচের পর মাত্র তিন দিনের বিরতি পেয়ে ১৭ নভেম্বর কর্দোবার মারিও কেম্পেস স্টেডিয়ামে কোস্টারিকার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে আকাশী-নীল জার্সিধারীরা।

এর আগে গত অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোতে দারুণ ছন্দে ছিল আর্জেন্টিনা দল, যেখানে তারা তিনটি ম্যাচেই প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয়। এই তিন ম্যাচে তারা মোট চৌদ্দটি গোল করলেও নিজেদের জালে কোনো বল জড়াতে দেয়নি। বলিভিয়াকে চার গোলে হারানোর পর বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে সাত গোলের বড় জয় পায় স্কালোনির দল। বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি অবশ্য সম্পূর্ণভাবে রাঙিয়ে রেখেছিলেন খোদ লিওনেল মেসি, যেখানে তাঁর দারুণ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিদায়ী ভাষণে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল।

গত ৭ অক্টোবর মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি মূলত মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। ওই ম্যাচে তিনি একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে দুটি গোল করিয়েছিলেন এবং ক্যারিয়ারের শেষ মুহূর্তে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। এছাড়া ২০২৩ সালে এই মনুমেন্তালেই পানামার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে বিশ্বকাপ জয়ের উল্লাসে মেতেছিলেন তিনি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে রেকর্ড দুইশত আটটি ম্যাচ খেলে সর্বোচ্চ একশত ছাব্বিশটি গোল করেছেন মেসি, আর তাঁর হাত ধরেই আলবিসেলেস্তেরা জয় করেছে কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপসহ চারটি বড় শিরোপা।

advertisement
advertisement

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

রাজনীতি ডেস্ক: ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে সম্প্রতি খুলনার অভিমুখে যে লংমার্চের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, তার উদ্বোধনী সমাবেশে অনুপস্থিত ছিল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপি। দলটির শীর্ষস্থানীয় বা সাধারণ নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির শুরুর অংশে অংশ নেননি, যা রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। উদ্বোধনী পর্বের এই অনুপস্থিতির কারণে জোটে কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়।

তবে উদ্বোধনী সমাবেশে দলীয় উপস্থিতি না থাকলেও পরবর্তীতে লংমার্চের মূল গাড়িবহরে এনসিপির চারজন শীর্ষস্থানীয় নেতা যুক্ত হন। জোটের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি এবং সংহতি বজায় রাখার অংশ হিসেবেই তারা এই গাড়িবহরে অংশ নেন বলে জানা গেছে। দলটির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এই চার নেতার উপস্থিতি কিছুটা হলেও জোটের মধ্যকার ঐক্য অক্ষুণ্ণ থাকার বার্তা দিয়েছে।

এদিকে লংমার্চের গাড়িবহরে দলের চার নেতার এই অংশগ্রহণকে স্রেফ একটি প্রতীকী পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে দলটির ঘনিষ্ট সূত্র। তাদের ভাষ্যমতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জোটের সার্বিক কার্যক্রমের প্রতি নৈতিক সমর্থন ও সংহতি প্রকাশের জন্যই এই সীমিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছিল। একে বড় কোনো সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন হিসেবে না দেখার অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।

উল্লেখ্য, ১১-দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চ কর্মসূচিটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত এই জোট সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দাবি নিয়ে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। তবে জোটে থাকা দলগুলোর মধ্যে এ ধরনের খণ্ডিত অংশগ্রহণ বা প্রতীকী উপস্থিতি ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি

চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের রাজস্থান রাজ্যে সাধারণ এক তরুণকে কেন্দ্র করে অদ্ভুত এক আর্থিক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। মাসে সামান্য বেতনে চাকরি করলেও হঠাৎ করেই তার ব্যাংক হিসাবে জমা হয় অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ। এই আকস্মিক ঘটনায় প্রথমে বেশ বিপাকে পড়ে যান ওই তরুণ এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অর্থও তুলতে পারেননি। রাজস্থানের সিকার শহরের সালাসার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ওষুধের দোকানে কাজ করেন ২২ বছর বয়সী তরুণ সমীর খান। সেখানে তিনি মাসে ১০ হাজার রুপি বেতনে চাকরি করছেন এবং সাধারণ জীবনযাপন করছিলেন।

কয়েকদিন আগে নিজের মুঠোফোন রিচার্জ করার উদ্দেশ্যে ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যালান্স দেখতে যান সমীর খান। অ্যাপ খুলে পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর তিনি দেখতে পান তার হিসাবে কোনো অর্থ নেই, বরং হিসাবটিতে ১০ হাজার কোটি রুপির বেশি অর্থের ওপর লিয়েন বা উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের অর্থ দেখে তিনি বা তার পরিবার আনন্দিত হওয়ার সুযোগ পাননি, উল্টো নিজের অ্যাকাউন্টে আগে থেকেই জমা থাকা প্রায় ৫৫ হাজার রুপিও তুলতে না পেরে চরম উৎকণ্ঠায় পড়েন।

হিসাবে এমন অদ্ভুত লিয়েন দেখে ঘাবড়ে গিয়ে সমীর বিষয়টি তার নিয়োগকর্তা ধীরজ শর্মাকে জানান। এরপর দুজন মিলে স্থানীয় সিকারের সাইবার পুলিশ স্টেশনে যান এবং পুরো বিষয়টি খুলে বলেন। পুলিশ তাদের সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়। ব্যাংকে যোগাযোগ করার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের জানায় যে, মূলত কারিগরি ত্রুটির কারণেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দ্রুত সেই কারিগরি ত্রুটি সমাধান করে এবং সমীরের ব্যাংক হিসাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এর ফলে তার হিসাবের প্রকৃত অর্থও ফেরত পাওয়া নিশ্চিত হয়। সমীরের নিয়োগকর্তা ধীরজ শর্মা জানান, তিনি জীবনে প্রথমবার এমন অদ্ভুত ঘটনা দেখলেন এবং বিষয়টি তাকে সম্পূর্ণ হতবাক করে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ওই তরুণ ও তার কর্মস্থল কর্তৃপক্ষ।

সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান

সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের ঘাড়ে স্বৈরাচার চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সম্প্রতি এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের মৌলিক অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে এবং জনগণের সঙ্গে এক ধরণের প্রতারণা করা হচ্ছে। দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ফিরে পাওয়ার লড়াই চালিয়ে গেলেও ক্ষমতাসীনরা সেই আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করছে না বলে তিনি দাবি করেন।

খুলনা ও যশোর অভিমুখে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় একটি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কঠোর সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান। তিনি আরও বলেন যে, যত বাধাবিপত্তিই আসুক না কেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই রাজনৈতিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। যেকোনো মূল্যে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে তারা রাজপথে সক্রিয় থাকবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উক্ত পথসভায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন যে, সরকার গণভোটের রায় উপেক্ষা করে প্রকারান্তরে দেশের জনগণকে লালকার্ড দেখিয়েছে। এর ফলস্বরূপ জনগণও ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ব্যর্থ সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করতে লালকার্ড দেখাবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রশাসনের নানামুখী ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে শীর্ষ এই নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন অভিযোগ করেন যে, রাষ্ট্র মেরামতের প্রশ্নে গণভোটে সাধারণ মানুষ ইতিবাচক রায় দিলেও নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার পর সরকারের চরিত্র ও নীতিতে পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে এক ধরণের কথা বলা হলেও ক্ষমতায় বসার পর তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই লংমার্চ ও পথসভাকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারের বিরুদ্ধে চাপ আরও বাড়ানোর কৌশল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।