খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বিএনপি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে: বিরোধীদলীয় নেতা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিএনপি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে: বিরোধীদলীয় নেতা

বিএনপি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে: বিরোধীদলীয় নেতা

রাজনীতি ডেস্ক: বিএনপি যদি জনগণের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে, তবে দলটিকে এর জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে খুলনা ও কুষ্টিয়া অভিমুখে আয়োজিত লংমার্চের উদ্বোধনী উপলক্ষে ওই সমাবেშের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শফিকুর রহমান বলেন যে বর্তমান সরকার বা বিএনপি জনগণের বিশ্বাস পুরোপুরি ভঙ্গ করেছে এবং দেশবাসীকে চরমভাবে আশাহত করেছে। অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ভুল বা ব্যর্থতা থেকে দলটি কোনো ধরনের শিক্ষা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। উল্টো তারা একের পর এক রাজনৈতিক জটিলতা ও জঞ্জাল তৈরি করে চলেছে বলে মন্তব্য করেন এই বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে তাদের এই আন্দোলন বা লংমার্চ কোনো ধরনের ব্যক্তিগত কিংবা সংকীর্ণ দলীয় দাবি আদায়ের জন্য নয়, বরং এটি সরাসরি আপামর জনসাধারণের মৌলিক অধিকার রক্ষার আন্দোলন।

অনুষ্ঠানে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমেদ বলেন যে দেশের সামগ্রিক শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামো সঠিক না থাকলে রাষ্ট্র কখনো সুন্দরভাবে চলতে পারে না। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও কর্পোরেশনগুলোকে দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক তাঁর বক্তব্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ঊর্ধ্বগতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল সমস্যা হলো সংবিধান সংস্কার না করা এবং গণভোটের রায় কার্যকর না করা।

উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা ও কর্মীরা নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে লংমার্চ নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী এই লংমার্চের পথিমধ্যে শরীয়তপুর, বাগেরহাট, খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহে একাধিক পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সবশেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে একটি বড় সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই লংমার্চের কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

advertisement
advertisement

চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি

চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের রাজস্থান রাজ্যে সাধারণ এক তরুণকে কেন্দ্র করে অদ্ভুত এক আর্থিক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। মাসে সামান্য বেতনে চাকরি করলেও হঠাৎ করেই তার ব্যাংক হিসাবে জমা হয় অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ। এই আকস্মিক ঘটনায় প্রথমে বেশ বিপাকে পড়ে যান ওই তরুণ এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অর্থও তুলতে পারেননি। রাজস্থানের সিকার শহরের সালাসার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ওষুধের দোকানে কাজ করেন ২২ বছর বয়সী তরুণ সমীর খান। সেখানে তিনি মাসে ১০ হাজার রুপি বেতনে চাকরি করছেন এবং সাধারণ জীবনযাপন করছিলেন।

কয়েকদিন আগে নিজের মুঠোফোন রিচার্জ করার উদ্দেশ্যে ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যালান্স দেখতে যান সমীর খান। অ্যাপ খুলে পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর তিনি দেখতে পান তার হিসাবে কোনো অর্থ নেই, বরং হিসাবটিতে ১০ হাজার কোটি রুপির বেশি অর্থের ওপর লিয়েন বা উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের অর্থ দেখে তিনি বা তার পরিবার আনন্দিত হওয়ার সুযোগ পাননি, উল্টো নিজের অ্যাকাউন্টে আগে থেকেই জমা থাকা প্রায় ৫৫ হাজার রুপিও তুলতে না পেরে চরম উৎকণ্ঠায় পড়েন।

হিসাবে এমন অদ্ভুত লিয়েন দেখে ঘাবড়ে গিয়ে সমীর বিষয়টি তার নিয়োগকর্তা ধীরজ শর্মাকে জানান। এরপর দুজন মিলে স্থানীয় সিকারের সাইবার পুলিশ স্টেশনে যান এবং পুরো বিষয়টি খুলে বলেন। পুলিশ তাদের সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়। ব্যাংকে যোগাযোগ করার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের জানায় যে, মূলত কারিগরি ত্রুটির কারণেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দ্রুত সেই কারিগরি ত্রুটি সমাধান করে এবং সমীরের ব্যাংক হিসাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এর ফলে তার হিসাবের প্রকৃত অর্থও ফেরত পাওয়া নিশ্চিত হয়। সমীরের নিয়োগকর্তা ধীরজ শর্মা জানান, তিনি জীবনে প্রথমবার এমন অদ্ভুত ঘটনা দেখলেন এবং বিষয়টি তাকে সম্পূর্ণ হতবাক করে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ওই তরুণ ও তার কর্মস্থল কর্তৃপক্ষ।

সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান

সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের ঘাড়ে স্বৈরাচার চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সম্প্রতি এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের মৌলিক অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে এবং জনগণের সঙ্গে এক ধরণের প্রতারণা করা হচ্ছে। দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ফিরে পাওয়ার লড়াই চালিয়ে গেলেও ক্ষমতাসীনরা সেই আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করছে না বলে তিনি দাবি করেন।

খুলনা ও যশোর অভিমুখে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় একটি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কঠোর সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান। তিনি আরও বলেন যে, যত বাধাবিপত্তিই আসুক না কেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই রাজনৈতিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। যেকোনো মূল্যে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে তারা রাজপথে সক্রিয় থাকবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উক্ত পথসভায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন যে, সরকার গণভোটের রায় উপেক্ষা করে প্রকারান্তরে দেশের জনগণকে লালকার্ড দেখিয়েছে। এর ফলস্বরূপ জনগণও ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ব্যর্থ সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করতে লালকার্ড দেখাবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রশাসনের নানামুখী ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে শীর্ষ এই নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন অভিযোগ করেন যে, রাষ্ট্র মেরামতের প্রশ্নে গণভোটে সাধারণ মানুষ ইতিবাচক রায় দিলেও নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার পর সরকারের চরিত্র ও নীতিতে পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে এক ধরণের কথা বলা হলেও ক্ষমতায় বসার পর তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই লংমার্চ ও পথসভাকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারের বিরুদ্ধে চাপ আরও বাড়ানোর কৌশল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার

এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছর উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষায় সারা দেশে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এর আগের বছর এই পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। সদ্য প্রকাশিত এই ফলাফলে দেখা গেছে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী এবং ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় সেখানে শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এই গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। সারা দেশে মোট ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্রে এই মূল্যায়ন পরীক্ষা শান্তপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু এলাকায় পরীক্ষা গ্রহণে সামান্য জটিলতা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।