খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তির বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রবল উত্থানের মাঝে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞাপনের আয় বিশ্লেষকদের প্রাক্কলন অনুযায়ী না হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের শেয়ারবাজারে, যেখানে একদিনেই তাদের বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন সেবা ও চ্যাটবট বাজারে আসার পর থেকে অনলাইন বিজ্ঞাপনের গতানুগতিক ধারায় পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। ব্যবহারকারীরা এখন কেবল প্রথাগত সার্চ ইঞ্জিনের ওপর নির্ভর না করে এআই মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছেন, যা গুগলের প্রধান আয়ের উৎসে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে না পারলে ভবিষ্যতে প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর আয়ের প্রবৃদ্ধি আরও মন্থর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডাররা বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং গুগলের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কৌশল পুনর্মূল্যায়নের দাবি তুলেছেন। তারা মনে করছেন, প্রযুক্তি খাতের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে প্রতিষ্ঠানটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে আরও আগ্রাসী ও কার্যকর বিনিয়োগ করতে হবে। অন্যথায় প্রতিযোগীদের তুলনায় তারা বাজার হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

এই অর্থনৈতিক ধাক্কার পর গুগলের নীতিনির্ধারকরা নতুন প্রযুক্তির বিকাশ ও তার সফল বাণিজ্যিকীকরণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে বিভিন্ন গবেষণা ও নতুন সেবা চালুর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেছে। তবে বর্তমান আর্থিক ক্ষতির ধাক্কা কাটিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে গুগলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

advertisement
advertisement

চুরি হওয়া ৬.৩ বিলিয়ন ডলার উদ্ধারে তৎপর বিন্যান্স

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুরি হওয়া ৬.৩ বিলিয়ন ডলার উদ্ধারে তৎপর বিন্যান্স

চুরি হওয়া ৬.৩ বিলিয়ন ডলার উদ্ধারে তৎপর বিন্যান্স

প্রযুক্তি ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বিন্যান্স থেকে বিশাল অঙ্কের ডিজিটাল সম্পদ চুরির ঘটনা ঘটে যা ক্রিপ্টো বিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এই সাইবার হামলায় প্রায় ছয়শত ত্রিশ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ বেহাত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এর প্রায় অর্ধেক অংশ অর্থাৎ তিনশত কোটি ডলারের সমপরিমাণ সম্পদ জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে কর্তৃপক্ষ। বাকি বিশাল পরিমাণ অর্থ এখনো অজ্ঞাতনামা হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তা উদ্ধারে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে এই বড় ধরনের সাইবার হামলার পেছনে উত্তর কোরিয়ার কোনো হ্যাকার গোষ্ঠীর সরাসরি হাত থাকতে পারে।

প্রাথমিক তদন্তে একটি ল্যাপটপ হ্যাক হওয়ার মাধ্যমে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের কথা ভাবা হলেও পরবর্তী সময়ে একাধিক পয়েন্টে নিরাপত্তা ভাঙার প্রমাণ পাওয়া যায়। বিন্যান্সের সহপ্রধান নির্বাহী রিচার্ড টেং জানান যে এটি কোনো একক ব্যক্তির পক্ষে চালানো হামলা নয় বরং এর পেছনে সুসংগঠিত চক্র রয়েছে। হ্যাকাররা তাদের ব্যবহৃত প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং ডিজিটাল অপরাধের সমস্ত চিহ্ন ধ্বংস করার জন্য বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করেছে যা তদন্ত কাজকে বেশ জটিল করে তুলেছে। টিআরএম ল্যাবস এবং চেইনঅ্যানালাইসিসের মতো শীর্ষস্থানীয় ক্রিপ্টো বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠানগুলোও জানিয়েছে যে এই হামলার মোটিফ ও কার্যপদ্ধতির সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার পূর্ববর্তী সাইবার হামলার মিল রয়েছে।

চুরি হওয়া অর্থ শনাক্ত করতে এবং তা ফিরিয়ে আনতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে নেমেছে। অর্থের সঠিক গতিপথ অনুসরণ, সম্পদ জব্দ এবং এর সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। বিন্যান্সের পক্ষ থেকেও এফবিআইসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। সৌভাগ্যবশত এই হামলায় বিন্যান্সের যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সচেঞ্জটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে খোয়া যাওয়া সম্পদের মধ্যে জনপ্রিয় কিছু স্টেবলকয়েনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা পরিস্থিতিকে আরও বেশি জটিল করে তুলেছে।

গ্রাহকদের মনে স্বস্তি ফেরাতে বিন্যান্স জানিয়েছে যে ব্যবহারকারীদের ফান্ড সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে এবং চুরির কারণে কোনো ক্ষতি হলে তা প্রতিষ্ঠান নিজ দায়িত্বে পূরণ করবে। তা সত্ত্বেও এত বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত দেওয়ার আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে ক্রিপ্টো বাজারে নানা ধরনের গুঞ্জন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি মূলত প্ল্যাটফর্মটির সঙ্গে হওয়া চুক্তির শর্তাবলীর ওপর নির্ভর করবে। ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্ল্যাটফর্মে বিশ্বজুড়ে ত্রিশ কোটিরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী রয়েছে। অতীতেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধের জন্য উত্তর কোরিয়ার হ্যাকার গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করা হলেও পিয়ংইয়ং সবসময় এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে আসছে।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষার ফলাফল সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় তেরো লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটেছে।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি মুঠোফোনে এসএমএস পাঠিয়েও তাদের কাঙ্ক্ষিত ফল জানতে পেরেছেন। নির্ধারিত সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতে পরীক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এছাড়া মুঠোফোনের বার্তা অপশনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এসএমএস পাঠানোর পর ফিরতি বার্তায় ফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও তাদের ফলাফল সংগ্রহ করতে পেরেছেন।

পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরদিন থেকেই উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফলাফল নিয়ে কোনো শিক্ষার্থীর কোনো ধরনের অসন্তুষ্টি থাকলে তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ পেয়েছেন। আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ এবং ফি পরিশোধ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীরা এই আবেদন সম্পন্ন করেছেন।

উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন একযোগে এই পাবলিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে সে সময় কিছু এলাকার পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করতে হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্থগিত পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করা হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও শেষ হয়। সার্বিক প্রক্রিয়া শেষে এই ফলাফল প্রকাশিত হওয়ায় এখন উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপে ভর্তির কার্যক্রম শুরু হবে।

রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসছে বিদেশি শ্রমিক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসছে বিদেশি শ্রমিক

রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসছে বিদেশি শ্রমিক

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদার এবং কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধ করতে একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিককে এবার কিউআর কোড সংবলিত নিবন্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে পুলিশ প্রশাসন। সম্প্রতি রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পুলিশ সদর দপ্তরের আয়োজিত এক কনফারেন্সে এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ, পুলিশের বিশেষ শাখাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর বিষয়টি নিয়ে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। তবে বর্তমানে এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর অনুসন্ধানে জানা গেছে, একটি অসাধু চক্র নানা কৌশলে বাংলাদেশে এসে সাইবার প্রতারণা, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যামিংয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এর আগে কক্সবাজারের একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ বেশ কিছু ইলেকট্রনিক সরঞ্জামসহ একাধিক বিদেশি নাগরিককে আটক করে। পর্যটক বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় প্রবেশ করে অবৈধভাবে কাজ করার পাশাপাশি এই চক্রের সদস্যরা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করছে। সমন্বিত কোনো তথ্যভাণ্ডার না থাকায় এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছিল না, যার সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা।

বর্তমানে বাংলাদেশে কত সংখ্যক বিদেশি নাগরিক অবস্থান করছেন, তার সুনির্দিষ্ট ও হালনাগাদ পরিসংখ্যান নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী বিদেশি নাগরিকদের আয়কর দেওয়া ও কাজের বৈধ অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও জরিমানা কম থাকায় অনেকে তা উপেক্ষা করছেন। বিশেষ করে এ-থ্রি ভিসাধারী বা মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসায় থাকা ব্যক্তিরা সহজে দেশত্যাগ করতে পারায় কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। পুলিশের বিশেষ শাখার একজন কর্মকর্তা জানান, কিউআর কোডভিত্তিক নিবন্ধনের কাজটি সফল হলে বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং অপরাধী শনাক্তকরণ অনেক সহজ হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমতি দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন বোর্ড, বেপজা ও বেজা সহ একাধিক কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব পালন করে আসছে। সম্প্রতি এই প্রক্রিয়াটি আরও কার্যকর করতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ নামের একটি নতুন দপ্তর গঠন করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকে পুরোনো পাসপোর্ট পরিবর্তন করে পুনরায় দেশে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব এই নিবন্ধনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে জানান যে, বিদেশি শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণের কাজটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে রাজস্ব ক্ষতি রোধ এবং অপরাধ দমন কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।