খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

রাজনীতি ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে সম্প্রতি অত্যন্ত অবমাননাকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে। দেশের সর্বোচ্চ এই বিদ্যাপীঠ ও এর সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে এমন বিরূপ মন্তব্য করায় রাজনৈতিক ও ছাত্র মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সাদিক কায়েম এই ঘটনার জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি ফজলুর রহমানের এ ধরনের বক্তব্যকে চরম বিদ্বেষপূর্ণ ও অপ্রত্যাশিত বলে উল্লেখ করেছেন।

ডাকসু সহসভাপতি তার বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করেন যে, ফজলুর রহমান অতীতে বাকশালের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপির সংসদ সদস্য হলেও তার ভেতরে সেই ফ্যাসিবাদী আদর্শ ও মানসিকতা এখনো রয়ে গেছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামগ্রিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের মানসিকতা গণতান্ত্রিক চর্চা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাদিক কায়েম তার বক্তব্যে আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, এ ধরনের উগ্র মানসিকতার দায়ভার ফজলুর রহমানকে মনোনয়ন প্রদানকারী রাজনৈতিক দল বিএনপিও এড়াতে পারে না। দলীয় কোনো সদস্যের এমন বিতর্কিত আচরণের দায় সংশ্লিষ্ট দলের ওপরও বর্তায় বলে তিনি মনে করেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কাছে এই অপমানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে অবিলম্বে ফজলুর রহমানকে তার এই অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর কাছে তাকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে বলে জোর দাবি জানিয়েছেন ডাকসু সহসভাপতি। অন্যথায় এই ধরনের দায়িত্বহীন আচরণের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

advertisement
advertisement

এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রযুক্তি জায়ান্ট এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াংকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি যে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে, তা জোরালোভাবে নাকচ করে দিয়েছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন জল্পনা এবং দেশটির আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার একটি সুদূরপ্রসারী অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান যে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন অনুমানের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং এর মূল উদ্দেশ্যই হলো চীনকে বিশ্ববাসীর সামনে হেয় প্রতিপন্ন করা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমটির ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ডেটা সেন্টার প্রতিষ্ঠান মেগাস্পিডের সঙ্গে জড়িত এক চীনা নির্বাহী বেইজিংয়ের পক্ষে গোয়েন্দা তৎপরতায় যুক্ত ছিলেন। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরা আরও বলা হয় যে ওই ব্যক্তি চীনের কাছে বিভিন্ন গোপনীয় প্রযুক্তিগত তথ্য সরবরাহ করতেন এবং উন্নত প্রযুক্তির এনভিডিয়া এআই চিপ চীনে পাচারের সম্ভাব্য অভিযোগে মেগাস্পিডের কার্যক্রমও তদন্তের আওতায় ছিল। তদন্তসংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী অ্যালিস হুয়াং বা হুয়াং লে এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াংয়ের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। তবে উভয় পক্ষের স্পষ্ট ভাষ্য অনুযায়ী, অ্যালিস হুয়াংয়ের সঙ্গে জেনসেন হুয়াংয়ের কোনো ধরনের পারিবারিক বা রক্তের সম্পর্ক নেই।

এদিকে মেগাস্পিডের বিরুদ্ধে ওঠা এহেন গুরুতর চিপ পাচারের অভিযোগের বিষয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং রক্ষণশীল অবস্থান জানিয়েছে খোদ এনভিডিয়া কর্তৃপক্ষ। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে মেগাস্পিড তাদের অন্যসব আঞ্চলিক গ্রাহকের মতোই একজন সাধারণ গ্রাহক মাত্র। সিঙ্গাপুরভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অতীতেও চীনে চিপ পাচারের অভিযোগ উঠেছিল এবং সে সময় এনভিডিয়া তা নিজস্ব উদ্যোগে তদন্ত করে দেখেছে। তাদের দাবি, আগের সেই অভ্যন্তরীণ তদন্তেও এই অভিযোগগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছিল।

নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এনভিডিয়ার মুখপাত্র জন রিজো ব্যাখ্যা করেছেন যে অ্যালিস হুয়াংয়ের সঙ্গে জেনসেন হুয়াংয়ের যোগাযোগ কোনো অস্বাভাবিক বা গোপন ঘটনা নয়। একজন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর নিয়মিত দাপ্তরিক দায়িত্বের অংশ হিসেবেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গ্রাহক ও অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠক করতে হয়। তিনি আরও জানান যে জেনসেন হুয়াং প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। সব মিলিয়ে, চীনের পক্ষ থেকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা এবং এনভিডিয়ার পক্ষ থেকে চিপ পাচারের দাবি নাকচ করার মধ্য দিয়ে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান এখন অত্যন্ত স্পষ্ট।

কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

ধর্ম ডেস্ক: আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রচলিত লোককথা বা ধারণা ব্যাপকভাবে চলে আসছে যে কুকুর পোষা নাকি একটি বড় পাপ এবং অন্যদিকে বিড়াল পোষা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের ধারণাগুলোর কারণে সাধারণ মানুষের মনে প্রাণী লালন-পালন নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি ও ভুল ধারণার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় মানুষ না জেনেই এই কথাগুলোকে পরম সত্য হিসেবে গ্রহণ করে এবং সে অনুযায়ী আচরণ করতে শুরু করে।

এই প্রচলিত বিশ্বাসের ফলে বাস্তব জীবনে আমরা দেখতে পাই যে কুকুর দেখলে অনেকে সেটিকে তাড়িয়ে দেয় বা অহেতুক ঘৃণা করে, অথচ বিড়ালকে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে ঘরের ভেতর লালন-পালন করা হয়। ইসলাম ধর্মে পশুপাখির প্রতি দয়া প্রদর্শনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সব প্রাণীর সঙ্গেই সদাচরণ করার নির্দেশ রয়েছে। তা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে সমাজে এমন পক্ষপাতমূলক ধারণা কীভাবে শিকড় গেড়েছে, তা নিয়ে সচেতন মহলে নানা আলোচনা রয়েছে।

ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী শিকার করা, ঘরবাড়ি বা গবাদিপশু পাহারা দেওয়া কিংবা কৃষিকাজের নিরাপত্তার মতো প্রয়োজনীয় উদ্দেশ্যে কুকুর পুষতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে অকারণে বা কেবল শৌখিনতার বশে ঘরের ভেতরে কুকুর রাখা নিয়ে কিছু বিধিবিধান ও সতর্কতা রয়েছে, যা অনেকেই না বুঝে পুরো বিষয়টিকে নিষিদ্ধ বা পাপ হিসেবে ধরে নেন। অন্যদিকে, বিড়াল পোষার বিষয়ে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় কিছু বর্ণনা থাকায় মানুষ এটিকে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও সুন্নাত হিসেবে মনে করে থাকেন।

সব মিলিয়ে প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা এবং ধর্মীয় অনুশাসনের সঠিক ব্যাখ্যার অভাবে এই ধরনের খণ্ডিত ধারণাগুলো সমাজে শক্ত অবস্থান করে নিয়েছে। তাই যেকোনো সামাজিক বা ধর্মীয় বিষয়ে অন্ধভাবে প্রচলিত প্রথার ওপর নির্ভর না করে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। ইসলামি পণ্ডিত ও গবেষকদের মতে, সব সৃষ্টির প্রতি দয়া দেখানো এবং বিনা কারণে কোনো প্রাণীকে কষ্ট না দেওয়াই মূল শিক্ষা।

বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তির বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রবল উত্থানের মাঝে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞাপনের আয় বিশ্লেষকদের প্রাক্কলন অনুযায়ী না হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের শেয়ারবাজারে, যেখানে একদিনেই তাদের বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন সেবা ও চ্যাটবট বাজারে আসার পর থেকে অনলাইন বিজ্ঞাপনের গতানুগতিক ধারায় পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। ব্যবহারকারীরা এখন কেবল প্রথাগত সার্চ ইঞ্জিনের ওপর নির্ভর না করে এআই মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছেন, যা গুগলের প্রধান আয়ের উৎসে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে না পারলে ভবিষ্যতে প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর আয়ের প্রবৃদ্ধি আরও মন্থর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডাররা বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং গুগলের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কৌশল পুনর্মূল্যায়নের দাবি তুলেছেন। তারা মনে করছেন, প্রযুক্তি খাতের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে প্রতিষ্ঠানটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে আরও আগ্রাসী ও কার্যকর বিনিয়োগ করতে হবে। অন্যথায় প্রতিযোগীদের তুলনায় তারা বাজার হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

এই অর্থনৈতিক ধাক্কার পর গুগলের নীতিনির্ধারকরা নতুন প্রযুক্তির বিকাশ ও তার সফল বাণিজ্যিকীকরণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে বিভিন্ন গবেষণা ও নতুন সেবা চালুর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেছে। তবে বর্তমান আর্থিক ক্ষতির ধাক্কা কাটিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে গুগলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।