খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৮ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মধ্যপ্রদেশে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে পুণ্যার্থীদের পিষে দিল বেপরোয়া ট্রাক, প্রাণ হারালেন অন্তত ১৫ জন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মধ্যপ্রদেশে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে পুণ্যার্থীদের পিষে দিল বেপরোয়া ট্রাক, প্রাণ হারালেন অন্তত ১৫ জন

গোয়ালিয়রে ট্রাকচাপায় হতাহত ব্যক্তিদের নিয়ে হাসপাতালে স্বজনদের ভিড়

ভারতের মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিয়ন্ত্রণহীন ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে কমপক্ষে ১৫ জন পুণ্যার্থী প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বহু মানুষ। শনিবার গভীর রাতে সেখানকার শীতলা মাতা মন্দিরের নিকটবর্তী একটি পুলিশ তল্লাশিচৌকি দুমড়েমুচড়ে দিয়ে ট্রাকটি ভক্তদের ওপর উঠে যায় এবং পরবর্তীতে মন্দিরের ফটক ও বাইরের প্রাচীরে সজোরে ধাক্কা মারে।

গোয়ালিয়রের জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার (এসএসপি) ধর্মবীর সিং জানান, রাত আনুমানিক দেড়টার সময় ধানবোঝাই একটি যান খাড়া ঢালু পথে নামার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ওই ঢালু রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। তিনি বলেন, নবরাত্রি উপলক্ষে শীতলা মাতা মন্দিরে প্রচুর পুণ্যার্থীর জমায়েত হয়েছিল। খাড়া ঢালে ট্রাকটিকে ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও সেটি ব্যারিকেড চুরমার করে ভক্তদের পিষে দেয়। দায়িত্বপালনকালে দুই পুলিশ সদস্যও জখম হয়েছেন এবং বর্তমানে তাদের চিকিৎসা চলছে।

গোয়ালিয়রের কালেক্টর রুচিকা চৌহান দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ও উদ্ধারকারী দল পাঠানোর কথা নিশ্চিত করে জানান, এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জখম অবস্থায় হাসপাতালে ৩৯ জনকে নিয়ে আসা হয়েছিল, যাদের মধ্য থেকে কয়েকজনের মৃত্যু ঘটে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রায় ২৯ জন, যাদের মধ্যে ৫ থেকে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের প্রয়োজনীয় সুচিকিৎসা প্রদানে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নবরাত্রির কারণে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও বিশেষ পাহারা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এত বড় একটি বাহন ওই এলাকায় প্রবেশ করল, সে বিষয়ে প্রশাসনিক অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। গাড়িতে কোনো যান্ত্রিক গোলযোগ ছিল কি না, তা পরীক্ষা করতে রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট অফিসের (আরটিও) একটি দলকে নিয়োজিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, আহত এক ব্যক্তির ভাই ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাত একটার দিকে অতিরিক্ত ধানবোঝাই গাড়িটি হঠাৎ সেখানে উপস্থিত হয়ে রাস্তার ধারের দোকান ও মানুষের ওপর উঠে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজনের মৃত্যু ঘটে এবং তাঁর ভাই মারাত্মকভাবে আহত হন। এলাকাটিতে এখনও চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এছাড়া ভিন্ন এক ঘটনায়, কলকাতায় পূজামণ্ডপে পদদলিত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে পৌঁছেছে এবং ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

advertisement
advertisement

দিল্লি বিমানবন্দরে হেনস্তার নেপথ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভাই, বিধানসভায় বিস্ফোরক পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দিল্লি বিমানবন্দরে হেনস্তার নেপথ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভাই, বিধানসভায় বিস্ফোরক পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসরে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং মান। ২৮ জুন, ২০২৬

ফরাসি রাজধানী প্যারিস সফর সেরে ফেরার পথে দিল্লি বিমানবন্দরে তিন ঘণ্টা আটকে রাখা এবং ৫০ হাজার রুপি জরিমানা আদায়ের অভিযোগে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং মান। শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় দাঁড়িয়ে আম আদমি পার্টির (আপ) এই শীর্ষ নেতা দাবি করেন, তাঁকে অহেতুক হেনস্তা করার নেপথ্যে ছিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের ভাই তথা দিল্লি শুল্ক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত আইআরএস কর্মকর্তা মণীশ কুমার। বিষয়টিকে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেওয়ার কৌশল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পাঞ্জাব বিধানসভায় ওই দিন রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) এবং সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের কাজকর্মের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে একটি প্রস্তাব পাস হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে একাধিক বিধায়ক সিইসির পদত্যাগের দাবি তোলেন। তবে প্রস্তাবটি যখন গৃহীত হয়, তখন বিরোধী পক্ষ কংগ্রেস, শিরোমণি অকালি দল ও বিজেপির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন না। পাঞ্জাবে ক্ষমতায় থাকা আপ সরকারের সঙ্গে প্রতিপক্ষ বিজেপির নানা বিষয়ে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের আবহেই এ প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।

অভিযোগের বর্ণনা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মান জানান, দিল্লি বিমানবন্দরে শুল্ক বিভাগের কর্মীরা বারবার তাঁর সামগ্রী তল্লাশির কথা বলেন। শেষ পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়ে কিছু না পেয়ে তাঁকে যেতে দেওয়া হয়। তবে বিমানবন্দর থেকে বেরোনোর মুখে ওই আধিকারিকেরা আবার এসে জানান যে ওপর মহলের প্রচণ্ড চাপের কারণে একটি চালান কাটতেই হবে এবং এরপর ৫০ হাজার রুপি জরিমানা ধার্য করা হয়। বিজেপির উদ্দেশে তোপ দেগে মান বলেন, এভাবেই তারা প্রতিশোধ নেয় এবং বিমানবন্দরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই শুল্ক কর্মকর্তা মণীশ কুমার হলেন সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের ভাই।

মুখ্যমন্ত্রীর এহেন বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজেপি। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অনিল সারিন মন্তব্য করেন, মনগড়া কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দায় এড়াতে পারেন না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, শুল্ক বিভাগ ঠিক কী কারণে ৫০ হাজার রুপি জরিমানা করেছে, সাহস থাকলে মুখ্যমন্ত্রী সেই রসিদ প্রকাশ্যে এনে দেখান। সারিন আরও মনে করিয়ে দেন, প্রটোকল অনুসারে মুখ্যমন্ত্রীদের দেহ বা লাগেজ তল্লাশি থেকে ছাড় দেওয়া হলেও তাঁদের সঙ্গে থাকা সফরসঙ্গীরা এই সুবিধা পাওয়ার অধিকারী নন এবং তাঁদের মালামাল তল্লাশির বাইরে থাকে না।

সাধারণত ভারতীয় মুখ্যমন্ত্রীদের বিদেশযাত্রায় কেন্দ্রীয় সরকারের ছাড়পত্রের (এনওসি) প্রয়োজন হয়। পূর্বে একাধিকবার বিদেশ সফরের সুযোগ না পাওয়া মানকে এবার ফ্রান্সে যাওয়ার অনুমতিও দিতে চায়নি কেন্দ্র। পরে মুখ্যমন্ত্রী পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে আদালতের নির্দেশনায় ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ‘এসআইএএল প্যারিস ২০২৬’ খাদ্যমেলায় অংশ নেন; সে সময় তাঁর সঙ্গে স্ত্রী গুরপ্রীত কৌর উপস্থিত ছিলেন।

বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আগামী ২৭ নভেম্বর লাহোরে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব পাঞ্জাবি সম্মেলনে অংশ নিতে পাকিস্তানের পাঞ্জাবি কবি বাবা বসির হুসেন নাজমি তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে ফ্রান্সে যেতেই যেখানে কেন্দ্র বাধা তৈরি করেছিল, সেখানে পাকিস্তানে যাওয়ার অনুমতি কেন্দ্র কীভাবে দেবে—তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন। এছাড়া তিনি প্রস্তাব রাখেন, কর্তারপুর করিডর খুলে দেওয়া হলে বিধানসভার সব পক্ষের সদস্যদের একসঙ্গে কর্তারপুর সাহেব যাওয়া উচিত। উল্লেখ্য, শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানক দেব জীবনের শেষ ১৮ বছর যেখানে কাটিয়ে দেহত্যাগ করেছিলেন, সেই স্মৃতিবিজড়িত দরবার সাহেব গুরুদ্বারাটি পাকিস্তান সীমান্তে ভারতীয় পাঞ্জাবের গুরদাসপুর থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা পুণ্যার্থীদের জন্য ভিসামুক্ত একটি করিডর।

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আশঙ্কাজনক ২

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আশঙ্কাজনক ২

সড়ক দুর্ঘটনা

যশোর সদর উপজেলার অন্তর্গত যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতের এ দুর্ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর জখম হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে; তাঁরা হলেন সদর উপজেলার মণ্ডলগাতী গ্রামের সিয়াম হোসেন এবং জেলা শহরের শংকরপুর এলাকার আরিফুল ইসলাম। তবে অপর নিহতের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন মণ্ডলগাতী এলাকার আবদুল কাদেরের ছেলে ওমর ফারুক এবং রুহুল আমিনের ছেলে রাকিব হাসান। তাঁদের সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিয়াম, ওমর ফারুক ও রাকিব একই মোটরসাইকেলে চড়ে মণ্ডলগাতী থেকে বেনাপোলের অভিমুখে রওনা হয়েছিলেন। পথিমধ্যে নতুনহাট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাঁদের মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু ঘটে। তাঁদের মধ্যে সিয়াম প্রথম মোটরসাইকেলে ছিলেন এবং বাকি দুজন ছিলেন বিপরীত দিক থেকে আসা যানের আরোহী।

খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানকার চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন দুজনের শারীরিক অবস্থাই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন প্রথম আলোকে জানান, নিহত একজনের কাছে আরিফুল ইসলাম নামের একটি জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে অপর নিহতের পরিচয় বের করতে ও দুর্ঘটনার বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তে পুলিশের কয়েকটি দল তৎপর রয়েছে।

একই ম্যাচে অর্ধশতক ও শতক: বাবার পদচিহ্ন ধরে এগোচ্ছেন রাজ্জাকপুত্র আলী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
একই ম্যাচে অর্ধশতক ও শতক: বাবার পদচিহ্ন ধরে এগোচ্ছেন রাজ্জাকপুত্র আলী

আবদুল রাজ্জাকের ছেলে আলী রাজ্জাক

বাবার মতো নিজেকে পুরোপুরি অলরাউন্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলেও উইলো হাতে নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়ে চলেছেন পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার আবদুল রাজ্জাকের ছেলে আলী রাজ্জাক। দেশটির ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট প্রেসিডেন্টস ট্রফির সর্বশেষ রাউন্ডে এক ম্যাচেই ৬৪ এবং অপরাজিত ১১১ রানের নজরকাড়া দুটি ইনিংস খেলে ক্রিকেট মহলের দৃষ্টি কেড়েছেন ২২ বছর বয়সী এই তরুণ ক্রিকেটার।

ঘানির হয়ে খেলা আলীর সামনে প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল অয়েল অ্যান্ড গ্যাস। দলটির বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ঘানি যখন মাত্র ১৪৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে গভীর সংকটে পড়ে, তখন সাতে নেমে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন আলী। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তিনি আরেক অলরাউন্ডার হুসাইন তালাতের সঙ্গে যোগ করেন ১০৯ রান; তালাত তুলে নেন ১০৮ রান। এরপর সপ্তম উইকেটে হাশিবুল্লাহ খানের সঙ্গে আলীর অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আসে আরও ১২০ রান। শেষ পর্যন্ত ৮টি চার ও ৬টি ছক্কায় সাজানো ১৫১ বলে ১১১ রানের হার না মানা ইনিংস উপহার দেন আলী। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্রয়ে নিষ্পত্তি পায়।

প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এটি আলীর তৃতীয় ও চলতি আসরে দ্বিতীয় শতরান। একই ম্যাচের প্রথম ভাগে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৪ রান করেছিলেন তিনি, যার সৌজন্যে ঘানি সংগ্রহ করে ২৩২ রান। বিপরীতে ইমাম-উল-হকের দ্বিশতকে ভর দিয়ে ৯ উইকেটে ৪১০ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছিল অয়েল অ্যান্ড গ্যাস।

এবারের প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে ১১ ইনিংসে ৫৩.৬৬ গড়ে দুটি সেঞ্চুরি ও তিনটি হাফসেঞ্চুরিসহ আলীর ব্যাট থেকে এসেছে মোট ৪৮৩ রান। দলের হয়ে এই মৌসুমে তিনি দ্বিতীয় শীর্ষ রানসংগ্রাহক। এর আগে মৌসুমে তাঁর প্রথম শতকটি (১০১ রান) এসেছিল টুর্নামেন্টের ফাইনালিস্ট স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের বিপক্ষে, যদিও সেই লড়াইয়ে ঘানি এক ইনিংস ও ১৮ রানে পরাজয় বরণ করে।

বোলিংয়ে বাবার মতো অতটা বিধ্বংসী হতে না পারলেও পেস হাত ঘোরাতে পারেন আলী। বর্তমান মৌসুমে ৭ ইনিংসে ২৬.৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ঝুলিতে পুরেছেন দুটি উইকেট। এখন পর্যন্ত ১৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৩৯.৪৮ গড়ে তাঁর সংগ্রহ ৯৮৭ রান। এর আগে চলতি বছরের প্রারম্ভে ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপেও হইচই ফেলেছিলেন এই অলরাউন্ডার। টুর্নামেন্টে লাহোর ব্লুজের জার্সিতে মুলতান রিজিয়নের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে ২৬ বলে ৪৫ রান করার পথে এক ওভারেই তুলেছিলেন ২৬ রান। এবার দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখলেন রাজ্জাকপুত্র।